- Home
- India News
- Fuel Price: পেট্রল-ডিজেলের দাম কি কমবে? বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম কমার পরেই জানাল কেন্দ্র
Fuel Price: পেট্রল-ডিজেলের দাম কি কমবে? বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম কমার পরেই জানাল কেন্দ্র
পশ্চিম এশিয়ার সংকটের পর বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২০ ডলার ছুঁয়েছিল। তবে এখন দাম কমতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতে কি হতে পারে পেট্রোল আর ডিজেলে দাম।

অপরিশোধিত তেলের দামের ওপরই ভারতের বাজার নির্ভর
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করেই দেশে জ্বালানির খুচরো মূল্য ঠিক করা হবে। সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার সংকটের সময় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২০ ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল, তবে এখন তা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।

পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের বার্তা
বৃহস্পতিবার এক আন্তঃমন্ত্রক সাংবাদিক বৈঠকে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা বলেন, পশ্চিম এশিয়ার সংকটের সময় অশোধিত তেলের দাম বাড়লেও এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছে। তিনি বলেন, "আপনারা জানেন, অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২০ ডলারে পৌঁছে গিয়েছিল। এখন তা কমছে।"
বিশ্ববাজারের তেলের দিকে নজর
সুজাতা শর্মা আরও যোগ করেন যে সরকার বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারের দিকে কড়া নজর রাখছে। "সরকার বিষয়টি নিয়ে ওয়াকিবহাল এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করেই জ্বালানির খুচরো দাম নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে," জানান তিনি। বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমলে তেল বিপণন সংস্থাগুলির লাভ বাড়বে কিনা এবং তার ফলে দেশে জ্বালানির দাম কমতে পারে কিনা, এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবেই তিনি এই মন্তব্য করেন।
৪০টি দেশ থেকে তেল কেনে ভারত
সুজাতা শর্মা আবারও স্পষ্ট করে দেন যে, ভারত কোনও একটি নির্দিষ্ট দেশের ওপর নির্ভর না করে বাণিজ্যিক এবং কৌশলগত দিক বিবেচনা করেই তেল কেনে। তিনি বলেন, "আমি আগেই বলেছি, আমরা ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে অশোধিত তেল কিনি।"
তেল কেনার ক্ষেত্রে জোর
তেল কেনার ক্ষেত্রে কী কী বিষয় মাথায় রাখা হয়, তা ব্যাখ্যা করে সুজাতা শর্মা বলেন, মূলত "টেকনো-কমার্শিয়াল ভায়াবিলিটি" বা প্রযুক্তিগত ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তাঁর কথায়, "তেলটি আমাদের শোধনাগারে শোধনযোগ্য হতে হবে, দাম গ্রহণযোগ্য হতে হবে এবং সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা থাকতে হবে। তেল কেনার সময় আমাদের সংস্থাগুলি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি মাথায় রাখে।"
দেশে জ্বালানি ও গ্যাসের সরবরাহ কেমন?
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিয়েও কিছু তথ্য দিয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার সংকটের মাঝেও দেশে জ্বালানি ও গ্যাসের সরবরাহ স্থিতিশীল ছিল বলে জানানো হয়েছে।
মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে ১.৩৬ কোটি বুকিংয়ের পরিবর্তে ১.৪৭ কোটি এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে। এই সময়ে ২২,৯৪৫ টন বাণিজ্যিক এলপিজি এবং ১.৯৮ লক্ষ পাঁচ কেজির সিলিন্ডার বিক্রি হয়েছে।
যুদ্ধের মধ্যেও সরবরাহ অটুট!
মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, মার্চ মাস থেকে এখন পর্যন্ত ১০.০২ লক্ষ পিএনজি সংযোগে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে এবং ৯.৯৪ লক্ষ নতুন পিএনজি গ্রাহক নথিভুক্ত হয়েছেন। পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সংযোগ নেওয়ার ফলে প্রায় ৯৯,১০০ জন গ্রাহক তাদের এলপিজি সংযোগ ছেড়ে দিয়েছেন।
সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচল এবং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই এই তথ্য সামনে এল।

