আরও কমে গেল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার এপ্রিল- জুন প্রথম ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধির হার কমে ৫ শতাংশ গত ছ' বছরে এই হার সর্বনিম্ন  

কেন্দ্রীয় সরকার আশ্বস্ত করছে, পর পর পদক্ষেপও ঘোষণা করা হচ্ছে। কিন্তু গতি পাচ্ছে না আর্থিক বৃদ্ধি। বরং দেশবাসীর চিন্তা বাড়িয়ে প্রথম ত্রৈমাসিকেই পাঁচ শতাংশে নেমে এল আর্থিক বৃদ্ধির হার। গত ছ' বছরে যা সর্বনিম্ন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত শেষ ত্রৈমাসিকে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৫.৮ শতাংশ। চলতি অর্থবর্ষে এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে প্রথম ত্রৈমাসিকেই তা নেমে এসেছে ৫ শতাংশে। এর আগে ২০১২-১৩ অর্থবর্ষে জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে আর্থিক বৃদ্ধির হার নেমেছিল ৪.৩ শতাংশে। তার পর আর এতটা কমেনি দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার। 

আরও পড়ুন- মিশে যাচ্ছে দশটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, বড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরার পরে দ্বিতীয় মোদী সরকারের সামনে সবথেকে কঠিন চ্যালেঞ্জই ছিল আর্থিক বৃদ্ধির হারকে চাঙ্গা করা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত অর্থনীতির চাকা ঘোরানোর মতো আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। যদিও কয়েকদিন আগেই ব্যাঙ্ক ঋণ সহজলভ্য করা থেকে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে জোর দেওয়া বা উচ্চবিত্তদের কর স্বস্তি দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। এ দিনও দশটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংযুক্তিকরণের ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। 

মূলত উৎপাদন, নির্মাণ শিল্পে মন্দার কারণেই আর্থিক বৃদ্ধির চাকা থমকে গিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই অবস্থায় বাজারে টাকার জোগান বাড়িয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলার উপরে জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি দেশি এবং বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতেও পদক্ষেপ করা হচ্ছে। বুধবারই কয়লা খননে একশো শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিদেশি বিনিয়োগের নিয়ামবলীও শিথিল করা হয়েছে। গত পয়তাল্লিশ বছরে কর্মসংস্থানের হার তলানিতে গিয়ে পৌঁছনো, গাড়ি বিক্রি কমে যাওয়া, এসবই মোদী সরকারের চিন্তা বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে, এপ্রিল- জুন ত্রৈমাসিকে চিনের আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৬.২ শতাংশ। ফলে আর্থিক বৃদ্ধির প্রতিযোগিতায় প্রতিবেশীর থেকে ক্রমশই পিছিয়ে পড়ছে ভারত।