Gulmarg Gondola: গন্ডোলায় গণ্ডগোল।গুলমার্গের পরিচয়ের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম কেবল কার পরিষেবা।গন্ডোলার প্রথম পর্যায়ে প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।যান্ত্রিক গোলযোগ থেকেই এই বিপত্তি।বিশ্বের উচ্চতম কেবল কার পরিষেবা।

Gulmarg Gondola: গন্ডোলায় গণ্ডগোল। কাশ্মীরের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গুলমার্গ। আর সেই গুলমার্গের পরিচয়ের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম কেবল কার পরিষেবা। যাকে সবাই বলে 'গুলমার্গ গন্ডোলা'নামে। কিন্তু সোমবার আচমকাই সেই গন্ডোলাতেই দেখা দিল বড় প্রযুক্তিগত বিপর্যয়। মাঝপথে থেমে যায় পরিষেবা, আর মুহূর্তের মধ্যে আকাশে ঝুলন্ত কেবিনে আটকে পড়েন কয়েকশো পর্যটক। গন্ডোলার প্রথম পর্যায়ে প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, আবহাওয়ার কারণে নয়, যান্ত্রিক গোলযোগ থেকেই এই বিপত্তি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

চলছে উদ্ধার কাজ

নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হয় গন্ডোলার দুই পর্যায়ের পরিষেবা। ফলে গুলমার্গ বেস থেকে কংডোরি এবং কংডোরি থেকে আফারওয়াট, দুই দিকেই চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় মাঝ আকাশে আটকে পড়েন প্রায় ৩০০ পর্যটক। গন্ডোলার প্রতিটি কেবিনে সর্বাধিক ছ'জন করে যাত্রী ওঠার অনুমতি থাকে। উদ্ধারকারী দল ধাপে ধাপে কেবিন খালি করার কাজ শুরু করে। প্রথম দিকে কয়েকটি কেবিন থেকে পর্যটকদের নিরাপদে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানা যায়।

দেখুন ভিডিও

Scroll to load tweet…

বিশ্বের অন্যতম উঁচু কেবল কার পরিষেবা

গুলমার্গের এই গন্ডোলা শুধু ভারতের নয়, বিশ্বের অন্যতম উঁচু কেবল কার পরিষেবা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮,৭০০ ফুট উচ্চতায় গুলমার্গ বেস স্টেশন অবস্থিত। প্রথম ধাপ কংডোরি পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় ধাপে পৌঁছনো যায় প্রায় ১৩ হাজার ফুট উচ্চতার আফারওয়াট এলাকায়। ফলে উদ্ধারকাজও হয়ে উঠেছে অত্যন্ত জটিল। ঘটনার পর দ্রুত যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করে প্রশাসন। উদ্ধারকাজে নামানো হয়েছে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং বিশেষ প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দলকে। দড়ি ও বিশেষ সরঞ্জামের সাহায্যে কেবিনে আটকে থাকা পর্যটকদের একে একে নিচে নামানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে সহায়তা করছেন বলে জানা গিয়েছে।

দেখুন ভিডিও

Scroll to load tweet…

উদ্ধার অভিযানে বড় সমস্য়া কোথায়

উচ্চতা ও দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে উদ্ধার অভিযান দীর্ঘ সময় চলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও আহতের খবর সামনে আসেনি। পর্যটকদের শান্ত থাকার এবং উদ্ধারকারী দল পৌঁছানো পর্যন্ত কেবিনের ভিতরে নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি পুরোপুরি মেরামত ও নিরাপত্তা যাচাই শেষ হওয়ার পরেই পরিষেবা চালু করা হবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তবে কবে থেকে গন্ডোলা ফের চালু হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।

ভাইরাল ভিডিও

পর্যটনের মরসুমে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। মাঝ আকাশে ঝুলে থাকা কেবিনের দৃশ্য ঘিরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পর্যটক মহলেও। প্রশাসন সূত্রে বলা হয়েছে, আটকে থাকা প্রত্যেক পর্যটককে নিরাপদে মাটিতে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।