আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে নির্দেশ দিয়েছে, সমীক্ষা এখনও পর্যন্ত হিন্দু ধর্ম সম্পর্কিত যেসব তথ্য পাওয়া গেছে তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। 

জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় বড় নির্দেশ বারাণসী আদালতের। বুধবার আদালত আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে নির্দেশ দিয়েছে, সমীক্ষা এখনও পর্যন্ত হিন্দু ধর্ম সম্পর্কিত যেসব তথ্য পাওয়া গেছে তা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। হিন্দু ধর্ম সম্পর্কিত যেসব ঐতিহাসিক বস্তু বা নিদর্শন পাওয়া গেছে তাও দ্রুত ম্যাজিস্ট্রেটকে দিতে হবে। জেলা আদালত বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রতিষ্ঠানের মনোনিত কোনও ব্যক্তি জ্ঞানবাপী মসজিদ থেকে পাওয়া সমস্থ তথ্য ও আইটেমগুলি রক্ষা করার দায়িত্বে থাকবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে সেগুলি আদালতে সরবরাহ করবে। তেমনই নির্দেশ দিয়েছে বারাণসী আদালত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বারাণসী আদালত জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট স্থান থেকে যে বস্তু বা উপকরণ পাওয়া গিয়েছে যা ওই মামলার সঙ্গে বা ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বা হিন্দু ধর্ম বা উপাসনার পদ্ধতির সঙ্গে সম্পর্কিত বা ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব রয়েছে - যেগুলি মামলার সঙ্গে প্রাসঙ্গিত সেগুলি দ্রুত ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা তাঁর মনোনীত কোনও অফিসার সেই বস্তু বা তথ্যগুলির দায়িত্বে থাকবে। যখনই আদালতের প্রয়োজন হবে তখনই সেগুলি আদালতে পাঠানোর ব্যবস্থা তিনি করবেন।

এলাহাবাদ হাইকোর্টে বারাণসীর জ্ঞানবাপী সসজিদ প্রাঙ্গনে একটি মন্দির রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি আবেদন করা হয়েছে সেই মন্দিরের দায়িত্ব হিন্দুদের হাতে তুলে দেওয়া হোক। আবেদনে বলা হয়েছে, মজসিদ প্রাঙ্গনে অবস্থিত মন্দির পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে সেই মামলার বৈধতা নিয়ে একটি পিটিশনের শুনানির আগেই বারাণসী আদালত এই রায় দিয়েছে।

আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া কাশী বিশ্বনাথ মন্দির সংলগ্ন জ্ঞানবাপী মসজিদ প্রাঙ্গনে একটি বৈজ্ঞানীক সমীক্ষা চালাচ্ছে। সমীক্ষার লক্ষ্য় হল ১৭ শতকের মসজিদটি আগে থেকেই ছিল না কোনও হিন্দু মন্দির ভেঙে বা হিন্দু মন্দিরের পরিকাঠামোর ওপর তৈরি হয়েছে- তা নিশ্চিত করা। এলাহাবাদ হাইকোর্টের একটি রায়ের পর এই সমীক্ষা শুরু হয়েছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর বারাণসী আদালত এএসআইকে জ্ঞানবাপী মসজিদ কমপ্লেক্সের বৈজ্ঞানীক সমীক্ষা সম্পূর্ণ করতে ও রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় দিয়েছিল।