Hidden Camera Found in Girls Hostel: অসমের গুয়াহাটির এক কলেজ ক্যাম্পাসে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। গুয়াহাটির টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সের ক্যাম্পাসে ছাত্রী নিবাসের বা মেয়েদের হোস্টেলে বাথরুমে গোপন ক্যামেরা উদ্ধারের অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Hidden Camera Found in Girls Hostel: অসমের গুয়াহাটির এক কলেজ ক্যাম্পাসে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। গুয়াহাটির টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সের ক্যাম্পাসে ছাত্রী নিবাসের বা মেয়েদের হোস্টেলে বাথরুমে গোপন ক্যামেরা উদ্ধারের অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আজ, বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ মেয়েদের হোস্টেলের তৃতীয় তলার একটি বাথরুমে সাবানের কৌটোর ভিতরে লুকানো অবস্থায় একটি ক্যামেরা উদ্ধার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে কলেজের এক ছাত্রী জানান, বাথরুমের মতো ব্যক্তিগত জায়গায় এভাবে ক্যামেরা রাখা হয়েছে দেখে তাঁরা প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই হোস্টেলের আবাসিকদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বহু ছাত্রী ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, এই ঘটনা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন এবং হোস্টেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা সামনে এনে দিয়েছে।
বাথরুমে সাবানের কৌটোর ভিতরে ক্যামেরাটি লুকিয়ে রাখা ছিল
ছাত্রীনিবাস বা হোস্টেলে ঘটনার পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, ঘটনার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে এবং প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কি না বা কোনও সন্দেহভাজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি। এই বিষয়ে এক ছাত্রী জানান, তৃতীয় তলার মেয়েদের হোস্টেলের একটি বাথরুমে সাবানের কৌটোর ভিতরে ক্যামেরাটি লুকিয়ে রাখা ছিল। হঠাৎ করে এমন ঘটনা সামনে আসায় তাঁরা হতবাক হয়ে পড়েন। "আমরা বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না যে বাথরুমের ভিতরে এভাবে ক্যামেরা রাখা হতে পারে"।
তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
এই ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছড়িয়ে পড়ে। যদিও এখনও পর্যন্ত বড় আকারের বিক্ষোভের খবর মেলেনি, তবু ছাত্রীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। অতীতে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হোস্টেলে গোপন ক্যামেরা সংক্রান্ত ঘটনার জেরে বিক্ষোভ ও গ্রেফতারের নজির রয়েছে। ফলে এই ঘটনাও নতুন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। গুয়াহাটির এই স্বনামধন্য সমাজবিজ্ঞান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনার অভিযোগ সামনে আসায় প্রশাসনের উপর বাড়তি নজরদারি ও দ্রুত পদক্ষেপের দাবি উঠেছে।


