ইতিমধ্য়েই সেখানে ৩জন আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তাছাড়া দেশবিদেশের লোকজন  সেখানে বিমানবন্দরে নামছে আর কিছুদিন থেকে সেখান থেকে উড়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায়, বিমানে চড়ে দিল্লিতে আসা  প্রত্য়েকের খোঁজে কার্যত বাড়ি-বাড়ি হানা দিতে শুরু করলেন দিল্লির আপ সরকারেরর প্রতিনিধিরা।

দিল্লিতে আপের লক্ষ্য় এখন বিমানে করে উড়ে আসা লোকজনেরা। কারণ, তিনজন করোনা আক্রান্তের খোঁজ যখন পাওয়া গিয়েছে, তখন তা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই দেশবিদেশ থেকে বিমানে চেপে দিল্লিতে আসা মানুষজন এখন আপের কড়া নজরদারির মুখে।

সম্প্রতি দিল্লির আপ সরকার একটি টাস্ক ফোর্স তৈরি করেছে। যার কাজই হল, কোথাও কাউর মধ্য়ে করোনার উপসর্গ পাওয়া যাচ্ছে কিনা তা খুঁজে বার করা। আর তাই আক্রান্তের খোঁজে বাড়ি-বাড়ি হানা দিতে শুরু করেছেন টাস্ক ফোর্সের প্রতিনিধিরা। তাঁরা খুঁজে বেড়াচ্ছেন, কোথাও কোনও সম্ভাব্য় আক্রান্ত রয়েছেন কিনা।

কীভাবে চলছে এই কাজ?

টাস্ক ফোর্সের প্রতিনিধিদের যেখানেই বিন্দুমাত্র সন্দেহ হচ্ছে, সেখানেই ওই ব্য়ক্তির থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। আর সেইসঙ্গে তাঁকে পৃথক রাখা হচ্ছে। যেমন টাস্ক ফোর্স জানতে পেরেছিল, দিল্লিতে করোনায় আক্রান্ত প্রথমজনের সংস্পর্শে এসেছিলেন ১০৫জন মানুষ।  দ্বিতীয় করোনা আক্রান্তের ক্ষেত্রে সংখ্য়াটা ছিল ১৬৮জন। আর তৃতীয়জেনের ক্ষেত্রে মাত্র ৬৪জন। টাস্ক ফোর্সের এক প্রতিনিধির কথায়, "তিনজন আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছেন সবমিলিয়ে ৩৩৭জন। এঁদেরকে পুরোপুরি পৃথক রাখা হয়েছে। আমরা ওই ৩৩৭জনের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছি।"

ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেল্থ সার্ভিসেসেস এর অধিকর্তা   ডা. নূতন মুনডেজা  জানান, ১৪দিনের মধ্য়ে যাঁরাই বিমানবন্দর থেকে এসে দিল্লিতে থাকছেন, তাঁদের প্রত্য়েককেই দিনে দুবার করে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। খুব সতর্কভাবে দেখা হচ্ছে, তাঁদের মধ্য়ে করোনার কোনও উপসর্গ রয়েছে কিনা। তাঁর কথায়, "প্রথমে আমাদের কাছে তাঁদের ফোন নম্বর ছিল শুধু। এখন তাঁদের ঠিকানাও আমাদের হাতে এসে গিয়েছে।"

টাস্কফোর্সের মাথায় রয়েছেন খোদ দিল্লির মুখ্য়মন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিবাল। এখনও পর্যন্ত ১লাখ ৪০হাজারের বেশি মানুষকে পরীক্ষা করে দেখেছে টাস্ক ফোর্স, যাঁরা সম্প্রতি বিমানবন্দর থেকে দিল্লিতে এসে থাকছেন।