বিশাখাপত্তনমে এলজি পলিমার গ্যাসলিক কাণ্ডে সব মিলিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ১২ জনকে। যার মধ্যে রয়েছে  এক সংস্থার এক কর্মকর্তাও। মাস দুই আগেই এই রাসায়নিক প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস লিক হয়। যে কারণে মৃত্যু হয় ১২ জনের। সেই সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন বহু মানুষ। তারপরেই গ্যাসলিক কাণ্ডের তদন্তে নামে স্থানীয় প্রশাসন। ধরা পড়ে গাফিলতি। 

রাসায়নিক কারখানা থেকে গ্যাস লিক করার জন্য ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ায় সংস্থার চিফ অক্সিকিউটিভকেও। পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার মীনা জানিয়েছেন, মে মাসেই রাসায়নিক কারখানা থেকে গ্যাস লিক করে। তারপরই দক্ষিণ কোরিয়ার মূল সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। তারই ভিত্তিতে এই গ্রেফতার। 

বাড়িতে তৈরি হল ভেন্টিলেটরযুক্ত করোনা হাসপাতাল, আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝি চিকিৎসাধীন ...

গালওয়ানে ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাফার জোন, ড্রোন আর স্যাটেলাইটে চিনের ওপর নজর ভারতের ...
মঙ্গলবার সন্ধ্যায়  সিইও, সংস্থার দুই আধিকারিকসহ মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে বন্দর শহর বিশাখাপত্তনমের সংস্থার প্রধানও। গত মে মাসেই ওই রাসায়নিক কারখানা থেকে স্টেরিন গ্যাস নির্গত হয়। তৈরি হয় এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। 

গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে ৩টি ট্রাস্টে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ, কোমর বেঁধে তদন্তে নামছে কেন্দ্র ...

গত সপ্তাহেই তদন্তকমিটির রিপোট পেশ করা হয়। যেখানে এলজি পলিমারের শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি কারখানাটি জনবসতি এলাকা থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে কর্তব্যে অবহেলার কারণে তিন সরকারি আধিকারিককেও সামিয়কভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।