গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে আরও ১,৪৮৬ জন। দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর ২৪ ঘণ্টায় মত্যু হয়েছে ৪৯ জনের। তাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৫২। বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে দেওয়া তথ্যে তেমনই জানান হয়েছে।

 

আগেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক দাবি করেছিল লকডাউন জারি করায় সংক্রমণে কিছুটা হলেও লাগাম পরানো গেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে প্রায় ৫-৭ দিন সময় নিচ্ছে। এই অবস্থায় নতুন একটি তথ্য সামনে এসেছে। যেখানে দেখা গেছে ২ এপ্রিল ২১১টি জেলার মধ্যেই সংক্রমণ সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে ৪৩০টিরও বেশি জেলা থেকে সংক্রমণের খবর আসছে। দেশের ৬টি  বড় শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে পাওয়া  তথ্য থেকে পরিষ্কার গ্রামীণ এলাকার থেকে শহুরে এলেকাতেই করোনার সংক্রমণ বেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে আরও জানা গেছে , দেশের ৬টি বড় শহর থেকে প্রায় ৫০০ জন আক্রান্তের খবর এখনও পর্যন্ত পাওয়া গেছে। 
 
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যন অনুযায়ী মুম্বইতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার। দিল্লিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২০৮১। আমেদাবাদে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১,২৯৮ জন।  গোটা দেশেই গত ২৫ মার্চ থেকে লকডাউন জারি করা হয়েছে। এই লকডাউন আগামী ৩ মে পর্যন্ত চলবে। এর সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও আয়ত্বে আসবে বলেই আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের কর্মীরা। 

আরও পড়ুনঃ চিকিৎসকদের হুমকির পরেই কড়া পদক্ষেপ সরকারের, হামলা রুখতে অমিত শাহর পর আসরে জাভড়েকর ...

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধে নেমে সেরার তকমা জিতলেন মোদী, সোস্যাল মিডিয়ায় বার্তা অর্থমন্ত্রীর ..

আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্ত 'মানব বোমা', ভারতের বিরুদ্ধে নয়া ষড়যন্ত্রে পাকিস্তান ..

পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর আক্রান্তের ৬০ শতাংশই মহারাষ্ট্র, গুজরাট, দিল্লি, রাজস্থান ও তামিলনাড়ুর বাসিন্দা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই হটস্পটগুলিকে চিহ্নিত করে কাজ শুরু করেছে দিল্লি ও মুম্বই। লকডাউন ৭ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে তেলাঙ্গনা। দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আবারও ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সবকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলবেন।