করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে রীতিমত উদ্বিগ্ন জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন। কারণ এতদিন ধরে সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করে বারবার অবৈধভাবে সন্ত্রাসবাদীদের এই দেশে পাঠাতে অভ্যস্ত পাকিস্তান। আগমী দিনে এই পরিকল্পনা বাতিল করে পারে। সন্ত্রাসবাদীদের বদলে  করোনাভাইরাসে সংক্রমিতদেরই জম্মু ও কাশ্মীরে পাঠিয়ে দিতে পারে। যাদের উদ্দেশ্য হবে কেন্দ্র শাসিত ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে দেওয়া।  বুধবার তেমনই আশঙ্কার কথা শোনালেন জন্মু কাশ্মীরের ডিজিপি দিলবাগ সিং। পাশাপাশি তিনি আরও জানিয়েছেন ইতিমধ্যেই এই জাতীয় কিছু তথ্য তাঁদের হাতে এসেছে। যা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে প্রশাসনের মধ্যে। 

 

ভারত পাকিস্তান- দুই দেশেই  মহামারীর আকার নিয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে দুই দেশই বন্ধ রেখেছে সীমান্ত। কিন্তু সংকটের এই মুহূর্তেই ভারত বিরোধী চক্রান্ত করা থেকে বিরত থাকছে না প্রতিবেশী দেশটি। এই সংকটের সময়ই বারবার সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। একাধিকবার সিজ ফায়ারও করেছে। জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টাও করে গেছে বারবার। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সফলও হয়েছে।  বুধবার সকালেই সোফিয়ানে নিরাপত্তা রক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াই বাধে অনুপ্রবেশকারীরা। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই নিকেশ করা হয়েছে ৪ জঙ্গিকে। 

আরও পড়ুনঃ যোগীর রাজ্যে আরতির থালা আর কলা হাতে পুলিশ ঘুরছে রাস্তায়, দেখুন সেই ভিডিও ...

আরও পড়ুনঃ আজ রাতে কি হাসপাতালে মোমবাতি জ্বলবে, সকালেই চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা অমিত শাহর ...

আরও পড়ুনঃ করোনাভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধে নেমে সেরার তকমা জিতলেন মোদী, সোস্যাল মিডিয়ায় বার্তা অর্থমন্ত্রীর ...

কিন্তু তারপরেও চিন্তা যাচ্ছে না প্রশাসনের। কারণ প্রথম দিকে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৮০। কিন্তু বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৮৩। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের। কেন্দ্র শাসিত এই রাজ্যটিতে আচমকাই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রশাসনে। তাই সন্দেহের বসেই অভিযোগের আঙুল তোলা হচ্ছে প্রতিবেশী পাকিস্তানের দিকেই। 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে পাকিস্তানে। এই দেশে এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা ২০০র বেশি। ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন পঞ্জাব প্রদেশেই আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজারের বেশি। আর এই সংকটের মধ্যেই পাক প্রশাসন জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কের একটি সংস্থার অভিযোগ, গত মার্চেই নজরদারী তালিকা থেকে ১৮০০ জঙ্গির নাম মুছে ফেলা হয়েছে। বিশ্ব যখন করোনাভাইরাসের সংকটে ব্যস্ত তখনও পাকিস্তান জঙ্গিদের মদত দেওয়া থেকে বিরত থাকছে না বলেই অভিযোগ উঠেছে।