চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাস থেকেই পূর্ব লাদাখের বিভিন্ন এলাকার দখল নিয়ে চিনা সেনাবাহিনী সঙ্গে ভারতীয় সেনার দ্বন্দ চলছে। তার মধ্যে অন্যতম প্যাংগং হ্রদ এলাকা। আগেই এই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছিল সেনা এবং বায়ুসেনার বিশেষ বাহিনীদের। গত প্রায় ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে তারা সেখানে চিনা বাহিনীর মোকাবিলা করছে। এবার তাদের সঙ্গে যোগ দিল নৌসেনার বিশেষ বাহিনী মেরিন কমান্ডোস বা মার্কোস। জানা গিয়েছে এর প্রধান লক্ষ্য তিন সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি। এছাড়া, নৌ কমান্ডোদের চরম শীতল আবহাওয়ায় কাজ করার অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ও এই পদক্ষেপের অন্যতম উদ্দেশ্য।

একটি সরকারি সূত্র আরও জানিয়েছে, শীঘ্রই প্যাংগং হ্রদে অপারেশন শুরু করার জন্য নতুন নৌকা পেতে চলেছে নৌসেনার কমান্ডোরা। হ্রদটিতে আপাতত অপারেশন চালায় সেনাবাহিনীর 'প্যারা স্পেশাল ফোর্স' এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়ের 'স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স'। সেইসঙ্গে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিভিন্ন কৌশলগত উচ্চতায়, একেবারে সীমান্ত দ্বন্দ্বের শুরুর দিনগুলি থেকেই অবস্থান করছে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ;গরুড় স্পেশাল ফোর্স'। তাদের সঙ্গে রয়েছে কাঁধে রেখেই চালানো যায়, এমন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা 'ইগলা'। শত্রুপক্ষের বিমান ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘন করার চেষ্টা করলেই তারা ব্যবস্থা নেবে। এবার সরাসরি হ্রদের জলেও চলবে মেরিন কমান্ডো বাহিনীর টহলদারী।

আরও পড়ুন - ভ্যাকসিনের তদারকিতে তিন শহরের তিন গবেষণাগারে প্রধানমন্ত্রী, দেখুন ছবিতে ছবিতে

আরও পড়ুন - মাটি খুঁড়লেই বের হচ্ছে 'হীরা' - শোরগোল গোটা নাগাল্যান্ডে, সরকার দিল তদন্তের নির্দেশ

আরও পড়ুন - প্রস্তাবনা পাঠ করলেন সিএমডি, এনএসআইসি-তে পালিত হল সংবিধান দিবস

নৌসেনা প্রধানত কাজ সাগরে-মহাসাগরে। সেখানথেকে তাদের লদাখের সুউচ্চ হ্রদে মোতায়েন করাটা বেশ অভিনব বিষয়। তবে, এইরকম সুউচ্চ পাহাড়ি স্থানে মার্কোস বাহিনীকে এই প্রথম মোতায়েন করা হল, তা নয়। সন্ত্রাসবাদীদের মোকাবিলায় জম্মু ও কাশ্মীরের 'উলার' হ্রদ এলাকাতে আগেই নৌ,সেনার এই বিশেষ বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছিল। এবার পূর্ব লাদাখের প্যাংগং হ্রদের অধিকার কায়েম রাখার দায়িত্বও পড়ল তাদের ঘাড়ে।