একদিকে করোনা মহামারী আর আরেকদিকে চিনের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা। এই আবহেই শনিবার দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ৭৪তম স্বাধীনতা দিবস। লালকেল্লায়  জাতির উদ্দেশে ভাষণের  নাম না করেই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও চিনকে সমঝে চলার র বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।  প্রধানমন্ত্রী  বলেছেন,  "এলওসি (নিয়ন্ত্রণ রেখা) থেকে এলএসি (প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা) পর্যন্ত যখনই ভারতের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে, আমাদের সেনারা তাঁদের মতো করে তার কড়া জবাব দিয়েছে।" লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় গত জুন মাসে ভারতীয় সেনাদের সঙ্গে লালফৌজের সংঘর্ষের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন: "ভারতের অখণ্ডতা রক্ষা আমাদের কাছে সবার আগে। আমাদের জওয়ানরা ঠিক কী করতে পারে, দেশ কী করতে পারে, লাদাখের উদাহরণের মাধ্যমে গোটা বিশ্ব তা দেখেছে। যে বীর যোদ্ধারা আত্মবলিদান দিয়েছেন, আজ লালকেল্লা থেকে আমি তাঁদের সেলাম জানাই।"

আরও পড়ুন: আত্মনির্ভর ভারত থেকে সবার জন্য স্বাস্থ্য কার্ড, লালকেল্লায় 'ভোকাল ফর লোকালে'র স্লোগান মোদীর কন্ঠে

আরও পড়ুন: লালকেল্লা থেকে ভাষণে চিন ও পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি, করোনা ভ্যাকসিন নিয়েও বড় ঘোষণা মোদীর

প্রধানমন্ত্রী যখন এদেশের সেনাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করছেন লালকেল্লায় তখন লাদাখে ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেন ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ ফোর্সের জওয়ানরা।

 

 

চিন সীমান্ত লাগোয়া একাধিক স্ট্র্যাটেজিক লোকেশনে এদিন সগর্বে তেরঙ্গা ওড়ান জওয়ানরা। সীমান্তে মোতায়েন জওয়ানরা সবাই বুক ফুলিয়ে মাথা উঁচু করে স্যালুট করেছেন তেরঙ্গাকে। বিশেষ করে প্যাংগং লেকের পাশে পতাকা উড়িয়ে সম্প্রসারণবাদী চিনকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

 

৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসে লাদাখে চিনা সেনার বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করার জন্য ২১ জন আইটিবিপি জওয়ানকে পুরষ্কৃত করছে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। লাল ফৌজের বিরুদ্ধে গালোয়ান উপত্যকায় দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছিলেন এই ২১ জন জওয়ান। 

এদিকে  সীমান্তে আগ্রাসন চালালেও স্বাধীনতা দিবসে শান্তির বার্তা দিয়ে ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে চিন।

 

 

সীমান্ত বিবাদের মাঝেই ভারতকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিও।