'ফেলুদা' সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে হারানোর শোক এখনও দগদগে। সোনার কেল্লা ফেলুদারূপী সৌমিত্র, জটায়ুকে জানিয়েছিলেন আরাবল্লীর ডাকাতরা নাক কেটে শাস্তি দেয়। এবার যেন সেই আরাবল্লীর ডাকাতদেরই সন্ধান পাওয়া গেল। ফের বিয়ে করতে অস্বীকার করায় এক বিধবা মহিলার নাক এবং জিভ কেটে দেওয়ায় অভিযোগ উঠল তাঁরই দুই আত্মীযের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল রাজস্থানের জয়সলমির।

ওই আক্রান্ত মহিলার দাদা জানিয়েছেন, প্রায় ছয় বছর আগে কোজে খান নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তাঁর বোনের। বিয়ের এক বছরের মধ্যেই কোজে খান-এর মৃত্যু হয়। আর তারপর থেকেই তাঁর বোনকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিশেষ এক ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহ করর জন্য চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু, তাঁর বোন জানিয়ে দিয়েছিলেন, ওই ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহ করতে তিনি আগ্রহী নন। এভাবেই এতদিন চলেছে।

আরও পড়ুন - লাদাখ মানচিত্র বিতর্ক, ভারতের কাছে লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হল টুইটার

আরও পড়ুন - বিহার সরকার পুরো মুসলিমবিহীন, নেই একজন বিধায়কও - স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথম

আরও পড়ুন - জঙ্গি নিধনের নামে প্রমাণ লোপাট করল পাকিস্তান, আর কি ন্যায়বিচার পাবেন কুলভূষণ

কিন্তু, মঙ্গলবার দুপুর ১ টা নাগাদ জানু খান নামে ওই মহিলার শ্বশুরবাড়ির দিকের এক আত্মীয় আরও এক ব্যক্তির সঙ্গে একটি ট্র্যাক্টারে চড়ে ওই মহিলার উপর চড়াও হয়। প্রথমে তাঁকে ফের বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়। মহিলা রাজি না হতেই একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আক্রমণ করে জানু খান। কেটে নেওয়া হয় তার নাক ও জিভ। ওই মহিলার একটি হাতও ওই হামলায় ভেঙে গিয়েছে। এক ব্যক্তি তাঁকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন, তিনিও ধারালো অস্ত্রে আঘাতে জখম হন। তারপর মহিলাকে ওই অবস্থায় ঘটনাস্থলে ফেলে রেখেই চম্পট দেয় ওই দুইজন।

আক্তান্ত মহিলাকে যোধপুরে এক হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে। অকার্নাত মহিলার দাদার অভিযোগের বিত্তিতে পুলিশ এই বিষয়ে একটি মামলা রুজু করেছে। ইতিমধ্যেই প্রধান অভিযুক্ত জানু খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্ত অবশ্য এখনও পলাতক। তাকে ধরার জন্য বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।