করোনাভাইরাস মহামারির জেরে স্কুল বন্ধ। ক্লাস হচ্ছে অনলাইনে। আর সেই অনলাইনে ক্লাস করার জন্য বাবার ফোন নিয়েছিল কর্ণাটকের এক কিশোরী। আর তাতেই ধরা পড়ে গেল এক নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে বাবার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা। এখন ওই কিশোরীর মা তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ ও মহিলা সংগঠনগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা অবশ্য মিটমাটের চেষ্টাই করছে।

জানা গিয়েছে বিষয়টি জানাজানি হয় গত অক্টোবর মাসে। কর্নাটকের মান্ড্য জেলার নাগামঙ্গল তালুকে থাকেন ওই দম্পতি। ১৮ বছর আগে তাঁদের বিবাহ হয়েছিল। ১৫ এবং ১৭ বছরের দুটি সন্তানও আছে তাঁদের। বড় মেয়ে ক্লাস টুয়েলভে পড়ে। অনলাইন ক্লাসের জন্য বাবার কাছ থেকে ফোন নিয়েছিল সে। ক্লাস হয়ে যাওয়ার পর ফোনটি ঘাটতে গিয়েই মেয়েটির চোখে পড়ে এক নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে তাঁর বাবার একটি অত্যন্ত অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও। এরপর সে ঘটনাটি মাকে জানায়।

আরও পড়ুন - গোয়ালিয়রের রাস্তায় ভিক্ষা করছেন কানপুর আইআইটির ইঞ্জিনিয়ার, মুখে ছুটছে ইংরাজির বন্যা

আরও পড়ুন - ভাইরাল জেপি নাড্ডার সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর ছবি, সত্যিই কি 'পিসিমণির মনটা' ভেঙে দিলেন বিধায়ক

আরও পড়ুন - প্রথম বউয়ের সঙ্গে টুইটারেও বিচ্ছেদ ঘটল ইমরান খানের, নেপথ্যে কি নওয়াজ শরিফ

ওই মহিলা তারপর থেকে আর স্বামীর সঙ্গে থাকতে চাইছেন না। অন্যদিকে কিশোরীটির ববা এখনও মায়ের সঙ্গেই থাকতে চাইছেন। এই অবস্থায পুলিশ পড়েছে মহা ফাঁপড়ে। ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যভিচারের মামলা করা যাবে না, কারণ ব্যভিচার আর এখন অপরাধ নয়। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্য আইন ২০০০-এর বিধান অনুসারে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে। তবে তার জন্য তদন্ত করে দেখতে হবে ভিডিও-তে যে মহিলাকে দেখা যাচ্ছে, তাঁর সম্মতি নিয়েই ওই ব্যক্তি ভিডিওটি রেকর্ড করেছে কিনা। দেখতে হবে তা তিনি অন্য কাউকে ফরোয়ার্ড করেছেন কিনা। সেইসব তদন্তের পরই হলা যাবে আদৌ তথ্য আইনে মামলা করা যাবে কিনা।

এই অবস্থায় তারা চাইছে স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিটমাট করে নিন। মহিলা সংগঠনগুলিও দুই পক্ষ কে নিয়ে একাধিকবার বসেছে। কিন্তু, এখনও অবধি কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি।