বুধবারও অপরিবর্তিত থাকল সংক্রমণ বৃদ্ধির গ্রাফ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড ১৯ রোগে আক্রান্ত ৩,৭২২ জন রোগীর সন্ধান মিলল। প্রাণ হারালেন ১৩৪ জন। আর এর সঙ্গেই দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হল ৭৮,০০৩। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২,৫৪৯। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২৬,৩২৫ জন। ফলে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৪৯,২১৯।

 

 

এদিকে দেশে চলতে থাকা তৃতীয় পর্যায়ের লকডাউন শেষ হচ্ছে আগামী ১৭ মে। যদিও দেশে চতুর্থ দফার লকডাউন শুরু হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে চতুর্থ দফার লকডাউনে বেশ কিছু ছাড় দেওয়ার কথা ভাবছে কর্ণাটক সরকার। ১৭ মের পর খোলা হতে পারে জিম, ফিটনেস সেন্টার এবং গলফ কোর্স, এমনটাই ইজ্ঞিত দিয়েছেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী সি টি রবি।

 

আর্থিক প্যাকেজ নিয়ে খুশি মালিয়া এবার দিতে চান নিজের টাকা, বদলে মুক্তির কাতর আর্জি

লকডাউনে ট্যাক্সি সফর, দিল্লি বিমানবন্দর থেকে নয়ডা-গাজিয়াবাদে যেতে গুণতে হচ্ছে কমপক্ষে ১০ হাজার

৩০ জুন পর্যন্ত সমস্ত ট্রেন বাতিল করল ভারতীয় রেল, ছাড় কেবল শ্রমিক ও স্পেশালকে

মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পার সঙ্গে এবিষয়ে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রবি। পর্যটনকে চাঙ্গা করতে চতুর্থ দফা লকডাউনে হোটেল খোলার চিন্তাভাবনাও করছে কর্ণাটক সরকার। সূত্রের খবর, খোলা হতে পারে রাজ্যে থাকা মন্দিরগুলিও। তবে সব ক্ষেত্রেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিধি কঠোর ভাবে মানতে হবে। 

কর্ণাটকের করোনা পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি করছে ইয়েদুরাপ্পা সরকারয বৃহস্পতিবার রাজ্যে ২২ জনের শরীরে নতুন করে সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে। ফলে কর্ণাটকে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯৮১। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪৫৬ জন।