দেশের মোট ২৭ শতাংশ দেশজ পণ্যের মাধ্যমে নিজের রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতি উন্নয়নের ব্যবস্থা করেছে পাঁচটি রাজ্য। বর্তমান ভারত আর্থিক বিকাশের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ধীরে ধীরে বিশ্বের বৃহত্তম লকডাউন থেকে বেরিয়ে আসারও চেষ্টা করছে। তেমনই ছবি ধরা পড়েছে একটি বেসরকার সংস্থার গবেষণা আরা ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে। 

 কেরল, পঞ্জাব, হরিয়ানা, তামিলনাড়ু আর কর্নাটক-- বিদ্যুৎ ব্যবহার, ট্রাফিক চলাচল পাইকারি বাজারে পণ্য পরিষেবা চালু রাখতে শুরু করেছে। তেমনই জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ গরিমা কাপুর। তিনি বলেছেন মহারাষ্ট্র আর গুজরাটের মত শিল্পোন্নত রাজ্যগুলি এখনও করোনাসংকট থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। দুই রাজ্যই সংক্রমণ রুখতে রীতিমত কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। তাই আর্থিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও পিছিয়ে রয়েছে। 

লকডাউনের কেরলে অন্য ছবি, ফাঁকা নৌকায় সওয়ার এক পরীক্ষার্থ

ভার্চুয়াল না সেন্ট্রাল হল, কোথায় কীভাবে হবে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন তানিয়েই জল্পনা...

'মেড ইন ইন্ডিয়া' আর 'মেড ফর ওয়ার্ল্ড', আত্মনির্ভর ভারতের কথাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী...

সোমবার থেকেই লকডাউনের পঞ্চম পর্যায়ে শুরু হয়েছে। আর এই ৫.০ পর্যায়ে এসে অনেকাংশে শিথিল করা হয়েছে লকডাউনের নিয়ম। আগামী ৮ জুন থেকে আরও শিথিল করা হবে লকডাউনের নিয়ম। যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিং মল, রেস্তোঁরা খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গরিমা কাপুর জানিয়েছেন দেশে ইতিমধ্যেই বিক্ষিপ্তভাবে আর্থিক ক্রিয়াকলাপ শুরু হয়ে গেছে। একই সঙ্গে আর্থিক বৃদ্ধির উন্নতিও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। 

একটি গবেষণায় দেখা গেছে পঞ্জাব ও হরিয়ানায় বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে কৃষিকাজের চাহিদাও। দেশের রাজধানী দিল্লিতে বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি গতি এসেছে জীবনযাত্রায়। 

গুগুল সার্চের ধরন দেখে গরিমা কাপুর জানিয়েছেন বহু মানুষই জীবনের নতুন উপায় খুঁজতে ব্যস্ত। তিনি আরও জানিয়েছেন, ওয়াশিং মেশিন, বিমান ভ্রমণ, ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বাইকের চাহিদা যথেষ্ট বেড়েছে। পাশাপাশি গয়না, ল্যাপটপ, মোবাইলের চাহিদা কিছুটা হলেও কমেছে। তিনি আরও বলেন আগামী দিনেও এই চাহিদা মানুষের মানুষের মধ্যে থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।