বুধবার থেকে  দেশে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। আগামী ৭ দিন করোনা সংক্রমণ আটকাতে পুলিশ-প্রশাসন নিয়মবিধি আরও কঠোর করবেন বলেই জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেই লকডাউনের গেরোতে পরেই অসুস্থ বাবাকে কোলে নিয়ে রাস্তায় ছুটতে হল ছেলেক। ঘটনাস্থল কেরলের পুনালুর।


এবার সংক্রমণের শিকার তবলিগি প্রধানের ২ আত্মীয়, দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১২ হাজার
১ বছর আগেই করোনা নিয়ে ভবিষ্যতবাণী এবার বিদায়ের দিন জানাল ১৪ বছরের কিশোর, দেখুন ভিডিও
সবার দেহে পড়ছে না সমান প্রভাব, গবেষণায় জেরবার বিজ্ঞানীদের করোনার রহস্য জানতে এখন ভরসা ডিএনএ

কুলাঠপুজ্জার বাসিন্দা ওই যুবক নিজের অসুস্থ বাবাকে পুনালুর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকার জন্য ভর্তি করেছিলেন। বুধবার হাসপাতালের তরফে ছেড়ে দেওয়া হয় ৬৫ বছরের বৃদ্ধকে অটোতে করে বাবাকে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলেন ছেলে। কিন্তু লকডাউন মেনে মাঝপথেই সেই অটোরিকশো থামিয়ে দেয় পুলিশ। এরপর অসুস্থ বাবাকে কোলে নিয়ে প্রায় এক কিলোমিটার পথ হাঁটতে হয় ওই যুবককে। ছেলের পেছনে  প্রেসকিপশন নিয়ে হাঁটতে থাকেন বৃদ্ধা মাও। নেট দুনিয়ায় ইতিমধ্যে এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অসুস্থ বাবাকে নিয়ে বাড়ি ফেরর সময় হাসপাতালের উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ থাকা সত্বেও কেন ওই ব্যক্তির অটো আটকানো হলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 
 
এর আগে কেরাল সরকারের তরফে একটা নোটিস প্রকাশ করা হয়েছিল। তাতে রাজ্যবাসীকে লকডাউনের মাঝে  চিকিৎসার কারণে যাতায়াতের  অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় পড়ছেন অন্তঃসত্ত্বা মহিলারাও। এমনকী আত্মীয়দের মধ্যে কেউ মরণাপন্ন হলে বা কারোরও মৃত্যু হলেও সেখানে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে পিনারাই বিজয়নের সরকার। এদিকে সরকার যেখানে অনুমতি দিয়েছে সেখানে পুলিশ কেন অসুস্থ ব্যক্তির গাড়ি আটকালো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিও। ইতিমধ্যে কেরলের হিউমেন রাইটস কমিশন বিষয়টি নিয়ে স্বতপ্রনোদিত মামলাও রুজু করেছে। 

এদিকে এখনও পর্যন্ত কেরলে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছে ৬০৮ জন। এদের মধ্যে ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২১৮ জন। কোভিড ১৯ রাজ্যে প্রাণ কেড়েছে ৩ জনের।