লাদাখ সীমান্তের উত্তেজেনা ক্রমশই বাড়ছে। সোমবার লাদাখে একতরফা লড়াই হয়নি। সেনা সূত্রের খবর, চিনা সেনাও ভারতীয় জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েছিল। অন্যদিকে প্রায় ৫০-৬০জন চিনা সেনা ভারতীয় সেনা বাহিনীর দখলে থাকা গড পাও দখল করতে এসেছিল। তবে এই ঘটনার পরেও প্যাংগং-এর দক্ষিণ প্রান্তে চিনা তৎপতরা তেমনভাবে হ্রাস পায়নি বলেও জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর এক কর্তা। 

পূর্ব লাদাখ সীমান্তের উত্তেজনা কমাতে বুধবার মস্কোয় বৈঠকে বসতে পারেন ভারত ও চিনের বিদেশ মন্ত্রী। এর আগেও লাদাখের ইস্যুতে রাজনাথ সিং কথা বলেছিলেন চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে। কিন্তু তারপরেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লাদাখের প্যাংগং। তবে মস্কোর বৈঠকের আগেই ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন,  লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকার সমস্যা রীতিমত গুরুতর। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর এই সমস্যার প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন সমস্যা সমাধানে অনেক কথাবার্তার প্রয়োজন রয়েছে। দুই দেশেরই রাজনৈতিক স্তরে আলাপ আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। আগেই ভারত ও চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীরা কথা বলেছেন মস্কোতে। আগামী দিনে লাদাখ ইস্যুতে দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রী কথা বলবেন সেখানে। কিন্তু এখনও পর্যন্তা লাদাখ ইস্যুতে কোনও মন্তব্য করেনি রাশিয়া। একই সঙ্গে স্পষ্ট করেনি নিজের অবস্থান। প্রথম থেকেই পুতিন প্রশাসন জানিয়ে আসছিল দুই দেশই আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত সমস্যা সমাধান করুক।

মহামারিতে ত্রস্ত গোটা বিশ্ব, তখন করোনাভাইরাস জয়ের উৎসবে সামিল জিংপিং

কীভাবে গালওয়ানের মত প্যাংগং-এর গড পাও দখল করতে চেয়েছিল চিন, জেনেনিন তারই বিস্তারিত কাহিনি .

অন্যদিকে লাদাখ ইস্যুতে এদিন ক্যাবিনেট বৈঠক ডাকা হয়েছে ভারতে। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি সামরিক তৎপরতাও শুরু হয়েছে। কারণ  চিনা সেনার অগ্রাসন প্রতিহত করতে লাদাখে মোতায়েন করা হয়েছে একাধিক সাঁজোয়া গাড়ি। অন্যদিকে সীমান্তের ওপারে চিন মোতায়েন করেছে জে-২০ লং রেঞ্জ ফাইটার জেট। পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সীমারেখা থেকে মাত্র ৩১০ কিলোমিটার দূরে হোতাং এয়ার বেশে মোতায় করা হয়েছে একাধিক ফাইটার জেট। পাল্টা হিসেবে ভারত ফ্রন্টলাইনে এনেছে সুখোই, মিরাজ আর জাগুয়ারকে। 

"