ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ যে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছে তাতে দেখা গেছে, বিস্ফোরণটি হয়েছিল একটি দুতলার শৌচাগারে। সেখানে এক ব্যক্তি বোমাটি একত্রিত করার চেষ্টা করছিল।  

লুধিয়ানা কোর্ট কমপ্লেসে যে বিস্ফোরণটি (Ludhiana Court Blast) হয়েছিল সম্ভাব্য আইইডি বা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস হামলা (IED)। বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা পর গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই বিস্ফোরণে দুই জনের মৃত্যু হয়েছিল। এই ঘটনায় আহত হয়েছে চার জন। পুলিশ জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ২২ মিনিটে পঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলার দায়রা আদালতের দু-তলায় এই বিস্ফোরণ হয়। পুলিশ ও ন্যাশানাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্ত করছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক দল। ফরেন্সিক রিপোর্ট আসার পরেই নিশ্চিত হওয়া যাবে বিস্ফোরণটি কী জাতীয়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ যে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছে তাতে দেখা গেছে, বিস্ফোরণটি হয়েছিল একটি দুতলার শৌচাগারে। সেখানে এক ব্যক্তি বোমাটি একত্রিত করার চেষ্টা করছিল। সেই সময়ই সেটি ফেটে যায়। স্থানীয় পুলিশ সূত্রের খরব দুতলার এই শৌচাগারের পাশেই রয়েছে রেকর্ড রুম। তাই রেকর্ড রুমে হামলার পরিকল্পনা ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পরই পঞ্জাব জুড়ে হাইঅ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। পাব্লিক প্লেসের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। জাতীয় তদন্ত সংস্থা বা এনআইএ দুই সদস্যের একটি দল লুধিয়ানা বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করছে। ন্যাশানাল বোমা ডেটা সেন্টারের একটি দলও ঘটনাস্থলে গেছে। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখবে ন্যাশানাল সিকিউরিটি গার্ড বা এনএসজিএর একটি দল। 

এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চন্নি। তিনি বলেছেন দোষীদের কোনওভাবেই রেহাই দেওয়া যাবে না। পঞ্জাব নির্বাচনের আগে এজাতীয় বিস্ফোরণ নিয়ে সরকারও সতর্ক ররয়েছে। উপমুখ্যমব্ত্রী সুখজিন্দর সিং রণধাওয়া বলেছেন এই মর্মান্তিক ঘটনার পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনিও ঘটনাস্থন পরিদর্শন করেছেন। 

দিল্লির রোহিনী আদালতের পরই পঞ্জাবের লুধিয়ানা আদালতের এই বিস্ফোরণ আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলে দিল আদালত চত্ত্বরের নিরাপত্তাকে। সম্প্রতি দিল্লির রোহিনী আদালতে একটি বিস্ফোরণ হয়। সেখানেই নিরাপত্তার গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সম্প্রতি এক প্রতিরক্ষা গবেষক আইনজীবির সঙ্গে ব্যক্তিগত অশান্তির কারণে রোহিনী আদালতের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিলেন। যাই হোক পরপর আদালতে বিস্ফোরণের পর আইনজীবিরাও নিরাপত্তার দাবি জানাচ্ছেন। পাশাপাশি তাঁদের দাবি আদালত চত্ত্বরে নিরাপত্তা যাতে আরও বাড়ান হয়। অন্যদিকে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি বাড়ানোর দাবিও জানিয়েছেন আদলতের কর্মী ও আইনজীবিরা।
COVID-19 Vaccinee: ওমিক্রনের বিরুদ্ধে কার্যকর AstraZenecaর বুস্টার শট, দাবি বিশেষজ্ঞদের

CRPF women commandos: অমিত শাহ থেকে গান্ধী পরিবার, নিরাপত্তার দায়িত্বে মহিলা কমান্ডোরা

Rajasthan Crime: বেআইনি মদের ব্যবসার প্রতিবাদ, রাজস্থানে সমাজকর্মীর পায়ে পেরেক ফুটিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা