গত ২৪ ঘন্টায় মহারাষ্ট্রে প্রবল বৃষ্টিতে বাড়ি ভেঙে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১১,৮০০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। গোদাবরী নদীর জলস্তর বৃদ্ধি ও বাঁধের জল ছাড়ায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা ২০০৫ সালের ভয়াবহ বন্যার স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে। 

ফের বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্র। গত ২৪ ঘন্টায় প্রবল বৃষ্টিতে বাড়ি ভেঙে পড়েছে নানান জায়গায়। আগামী ৪৮ ঘন্টায় মুম্বই, থানে, পালঘর, রাইগাড, নাসিক ঘাট এবং পুনে ঘাটে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে খবর। এই বৃষ্টিতে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১০ জনের। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে ১১ হাজার ৮০০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর। জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ড।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানা গিয়েছে, বৃষ্টির কারণে বেড়ে গিয়েছে গোদাবরী নদীর জলস্তর। নাসিক জেলায় বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছে। জয়কওয়াড়ি বাঁধের জল বিপজ্জনক ভাবে বেড়ে গিয়েছে। যে কারণে পৈথানের শম্ভাজিনগরের প্রায় ৭ হাজার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে হয়েছে। গোটা মহারাষ্ট্র জুড়ে চলছে উদ্ধার কাজ। গোটা পরিস্থিতি নিয়ে সকলকে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। একাধিক উচ্চ পর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক করেছেন তিনি। মৌসম ভবন জানাচ্ছে, মহারাষ্ট্রে আরও বৃষ্টি হতে পারে আগামী দিনে। যদি বৃষ্টি বাড়ে সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রে ২০০৫ সালে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। বন্যা ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছিল সেখানে। সেবছর ২০০৫ সালের দৃশ্য আবারও দেখা যাচ্ছে। ২০০৫ সালে জুলাই মাসেই হয়েছিল বৃষ্টি। যে কারণে থমকে গিয়েছিল মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি। এবার আবারও বিপদের মুখে রাজ্যবাসীরা। প্রবল বৃষ্টিতে তৈরি হয়েছে বিপর্যস্ত পরিবেশ। ২৪ ঘন্টায় প্রয়াত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে ১১ হাজার ৮০০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর। জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ড। আগামী ৪৮ ঘন্টায় থানে, পালঘর, রাইগাড, নাসিক ঘাট এবং পুনে ঘাটে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর। সব মিলিয়ে সংকটজনক পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্র। আসছে একের পর এক খারাপ খবর।