বাংলার শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দিল্লির সাউথ ব্লকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।

বাংলার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভালো নয়। এই অবস্থায় রাজ্যের বকেয়া পাওনা মিটিয়ে দিক কেন্দ্র। এই আবেদন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্প যেমন MGNREGA এবং PM Awas Yojana-র টাকা এখনও অনুমোদন করেনি নরেন্দ্র মোদী সরকার। আর সময় নষ্ট না করে যেন সেই টাকা দিয়ে দেওয়া হয়, চিঠিতে এমনই লিখেছেন মমতা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এদিন বাংলার শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দিল্লির সাউথ ব্লকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। এতে মমতা মোদীর কাছে জানতে চান বাংলার ১০০ দিনের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি কবে দেওয়া হবে। কেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকা বাংলাকে দেওয়া হচ্ছে না?

চিঠিতে মমতা বলেন, গত চার মাস ধরে কেন্দ্র বাংলার বকেয়া MGNREGA প্রকল্পের আওতায় রেখেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাকে সেই টাকা না দেওয়ায় রাজ্যের গ্রামে বসবাসকারী দরিদ্র মানুষরা অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। কেন বাংলার শ্রমিকরা MGNREGA স্কিমের তহবিল থেকে ১০০ দিনের কাজের মজুরি পায় না?

মমতা মোদীকে বলেছিলেন যে গত চার মাসে কেন্দ্র তহবিল থেকে বাংলার বকেয়া প্রায় ৬৫০০ কোটি টাকা রেখেছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বাংলার গ্রামের দরিদ্র মানুষদের। মমতা চিঠিতে লিখেছেন যে বাংলার গ্রামের অনেক দরিদ্র মানুষের জীবিকা কেন্দ্রের দেওয়া অর্থের উপর নির্ভর করে। বকেয়া টাকার কারণে বঞ্চিত হচ্ছেন এসব প্রান্তিক মানুষ।

একই সঙ্গে মমতা বলেন, কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা তহবিলের টাকাও বকেয়া রেখেছে। মোদীর কাছে তাঁর চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় গ্রামীণ এলাকায় বাড়ি নির্মাণে বাংলা দেশের মধ্যে প্রথম। ২০১৬-১৭ আর্থিক বছর থেকে, এই প্রকল্পের অধীনে পশ্চিমবঙ্গে ৩২লক্ষ বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। তবে কেন্দ্রের বাংলাকে দেওয়া অর্থ আটকে রাখা হয়েছে। ফলে বাংলার গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।