- Home
- India News
- Live -In Relationship: বিবাহিত পুরুষ সম্মতি নিয়ে সহবাস করতেই পারে! অপরাধ নয় বলে পর্যবেক্ষণ আদালতের
Live -In Relationship: বিবাহিত পুরুষ সম্মতি নিয়ে সহবাস করতেই পারে! অপরাধ নয় বলে পর্যবেক্ষণ আদালতের
Live -In Relationship case: লিভ-ইন দম্পতির একটি দায়ের করা ফৌজদারী মামলার শুনানির সময় মন্তব্য করেছে। এলাহাবাদ হাইকোর্ট স্পষ্ট করেছে, বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্মতিসূচক সহবাস বা লিভ-ইন সম্পর্কে থাকার জন্য কখনই এই পুরুষ মানুষটিকে অভিযুক্ত করা যাবে না।

সহবাস নিয়ে বড় রায়
উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের লিভ-ইন দম্পতির একটি দায়ের করা একটি ফৌজদারী মামলার শুনানির সময় বড় মন্তব্য করেছে। এলাহাবাদ হাইকোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্মতিসূচক সহবাস বা লিভ-ইন সম্পর্কে থাকার জন্য কখনই এই পুরুষ মানুষটিকে অভিযুক্ত করা যাবে না। একই সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা মহিলার মায়ের দায়ের করা মামলাও খারিজ করে দিয়েছে আদালত।
আদালতের প্রতিক্রিয়া
এই মামলার শুনানির সময় নৈতিকতা ও আইনের পৃথকীকরণের ওপর জোর দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বলেছে। আইনের দৃষ্টিতে ওই ব্যক্তি মোটের ওপর কোনও অপরাধ করেননি। কারণ প্রাপ্ত বয়স্ক মহিলার সঙ্গে একত্রে থাকার সিদ্ধান্তে দুজনেরই সম্মতি ছিল। তেমনই প্রমাণ রয়েছে আদালতের হাতে।
আদালত আরও বলেছে, নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপ সামাজিত মতামত বা নৈতিকতার মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে না। পাশাপাশি আদালত পুলিশকে ওই দম্পতিকে গ্রেফতার না করার নির্দেশ দিয়েছে।
দম্পতির নিরাপত্তার নির্দেশ
পাশাপাশি এলাহাবাদ হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট দম্পত্তির নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। বলেছে, মহিলার পরিবারের সদস্যরা দম্পতির বাড়িতে যেতে পারবে না। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও যোগাযোগ রাখতে পারবে না। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমেও যোগাযোগ করতে পারবে না।
পরবর্তী শুনানি
এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন আগামী ৮ এপ্রিল ধার্য করা হয়েছে। তবে পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত দম্পতির নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে পুলিশ প্রশাসনকে। তেমনই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
মায়ের আবেদন
লিভ ইন সম্পর্কে থাকাজ দম্পতি হলেন অনামিকা ও নেত্রপাল।
গত ৮ জানুয়ারি, অনামিকার মা কান্তি শাহজাহানপুরের জৈতিপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেখানে অনামিকার মায়ের অভিযোগ ছিল, সেদিন সকালে নেত্রপাল তাঁর মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করেছিল। এই কাজে নেত্রপালকে ধর্মপাল নামে এক ব্যক্তি সহযোগিতা করেছিল।
মায়ের দায়ের করা মামলাকে চ্য়ালেঞ্জ
১৮ বছরের অনামিকা। নেত্রপালের বয়স জানা যায়নি। তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। মায়ের দায়ের করা মামলাকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন মে। মায়ের আবেদন খারিজের পাশাপাশি তারা নিরাপত্তাও চেয়েছিলেন। দুটি আবেদনই মেনে নিয়েছে আদালত। আদালত জানিয়েছে আবেদনকারী বা লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা দুজনেই প্রাপ্ত বয়স্ক।
নেত্রপাল বিবাহিত!
অনামিকার মায়ের দাবি ছিল নেত্রপাল বিবাহিত। নেত্রপাল বিবাহিত হওয়ার পরেও অন্য একজন মহিলার সঙ্গে সহবাস করা ফৌজদারি অপরাধন। কিন্তু সেই যুক্তিও উড়িয়ে দিয়েছে আদালত। শুনানির সময় পর্যবেক্ষণ হল- নেত্রপাল যদি সত্যিই অন্য একজন প্রাপ্তবয়স্কের সঙ্গে সম্মতিক্রমে একত্রে বসবাস করে থাকেন, তবে তাকে অভিযুক্ত করার মতো কোনো ফৌজদারি অপরাধ নেই।
আদালত আরও উল্লেখ করেছে যে, প্রথম আবেদনকারী পুলিশকে নিশ্চিত করেছেন যে তিনি একজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং নিজের স্বাধীন ইচ্ছায় নেত্রপালের সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কে রয়েছেন।
অনার কিলিং-এর আশঙ্কা
পরিবার থেকে দম্পতির সহবাস মেনে নিতে রাজি নয়। আর সেই কারণেই দম্পতি অনার কিলিং-এর আশঙ্কা করেছেন। আদালতে তারা গোটা বিষয়টি জানিয়েছেন। আর সেই কারণেই আদালত প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছে।

