প্রচণ্ড গরম পড়েছে উত্তর ভারত জুড়ে। এমনকি তাপপ্রবাহের সতর্কতাও জারি করতে হয়েছে মৌসম ভবনকে। এর মধ্যে সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনির পর এসি মেশিনার ঠান্ডা হাওয়া খেয়ে একটু শীতল হতে চেয়েছিলেন এক কৃষক। তাঁর এই ইচ্ছেই ডেকে আনল বিপদ। এসি মেশিন থেকে বেরিয়ে এল একে একে ৪০টি সাপের বাচ্চা। এমন ঘটনাই ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের মেরঠের এক গ্রামে।

 

 

কংকরখেরা পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত পাবলি খুরদ গ্রাম। সেখানেই রাতের খাওয়া সেরে নিজের ঘরে বিশ্রাম নিতে গিয়ে চক্ষু ছানাবড়া কৃষক শ্রদ্ধানন্দের। দেখেন মেঝেতে ঘুরে বেড়াচ্ছে একেবারে সাপের বাচ্চা। গরমের কারণে হয়তো সরিসৃপটি কোনও ভাবে ভেতরে চলে এসেছে ভেবে নিয়ে সেটিকে ধরে বাইরে ফেলে দেন কৃষক। কিন্তু তখনো অবাক হওয়া বাকি ছিল তাঁর। এরপর ঘরে এসে শুতে যাওয়ার সময় ঘটে বিপত্তি। দেখেন বিছানায় এবার কিলবিল করছে তিন তিনটে সাপের বাচ্চা। এই ঘটনা দেখে প্রায় অজ্ঞান হওয়ার যোগাড় ওই কৃষকের। কিন্তু তখনও চমক অপেক্ষা করছিল তাঁর জন্য। কারণ এর পরেই ঘটে আসল কাণ্ড।

আরও পড়ুন: গর্ভবতী হাতির মৃত্যুতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেশজুড়ে, খাওয়ানো হয়নি বিস্ফোরক, দাবি প্রাক্তন বন আধিকারিকের

 ঘরের এসি মেশিনের দিকে নজর পড়তেই মাথায় হাত পড়ে কৃষকের। সেখানে তখন জটলা পাকিয়েছে প্রায় ৪০টি বাচ্চা সাপ। এই খবর বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়তেই গোটা গ্রাম ভিড় জমায় কৃষকের বাড়িতে। খবর দেওয়া হয় পুলিশকেও। তবে সাপগুলির গায়ে কেউ হাত দেননি, বরং ব্যাগে ভরে সেগুলিকে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে আসেন সকলে। 

আরও পড়ুন: গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় ফের রেকর্ড , ভারতে একদিনে সংক্রমণের শিকার ৯৩০৪

স্থানীয় এক পশু চিকিৎসক ডাঃ আর কে ভাটসাল জানান, কেনার পর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্রটি তেমনভাবে ব্যবহার করেনি ওই কৃষক পরিবার, এমনকি গত কয়েকমাসে এর সার্ভিসও করান হয়নি। সেই কারণেই এসি মেশিনের পাইপের ভেতর সাপের ডিপ পাড়ার সম্ভাবনা রয়ে গেছে। এবার সাপগুলি বড় হয়ে বাইরে বেরতে চাওয়াতেই ঘটল বিপত্তি।