ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিক সদস্যদের কাশ্মীরে যাওয়া নিয়ে দেশ জুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে বিরোধীরা। মেহবুবা মুফতির মেয়ে টুইটারে  ইউরোপীয় ইউনিয়নের তীব্র সমালোচনা করেছে। মেহবুবা মুফত   ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকদের এই কাশ্মীর পরিদর্শন থেকে নতুন করে কিছু পাওয়া যাবে না। কাশ্মীর শান্তিতে রয়েছে, স্বাভাবিক রয়েছে, ভারত সরকারের এই বিবৃতির ওপর একটা সিলমোহর পড়বে মাত্র। কাশ্মীরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের পরিদর্শন নিয়ে তিনি বলেছেন, কূটনীতিকরা কাশ্মীরে প্রহরার মধ্যে পিকনিক করতে আসছেন। এর বাইরে কিছু হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। মেহবুবা মুফতি টুইটারে জানিয়েছেন, শ্রীনগর আজকে বন্ধের চেহারা নিয়েছে। আপনারা কী ভেবেছিলেন, কাশ্মীরের আসল পরিস্থিতি  দেখতে পাবে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন। তাঁরা কাশ্মীরের মানুষের দুর্দশার পাশে এসে দাঁড়াবেন। এসব ভাবলে ভুল হবে বলেও মেহেবুবা মুফতি মনে করছে। 

অন্য দিকে  মায়াবতী ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনীতিকদের কাশ্মীর সফরে যাওয়া নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। মায়াবতী জানিয়েছেন, কাশ্মীরে ভারতীয় সাংদদের যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। তবেই কাশ্মীরের আসল পরিস্থিতি প্রকাশ্যে আসবে। সোমবারই দিল্লিতে পৌঁচেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি দল। মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর  একটা বৈঠকও করেন।  পরিকল্পনা ছিল তাঁরা কাশ্মীরের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। সেই উদ্দেশে তাঁরা ইতিমধ্যে রহনা দিয়ে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যাওয়ার আগে ইউরোপীয় সংসদের সদস্য নাথান গিল জানিয়েছেন, 'বিদেশি কূটনীতিক হয়ে কাশ্মীরে গিয়ে সেখানকার পরিস্থিতি চাক্ষুস করা এটা আমাদের জন্য একটা ভালো সুযোগ। আমরা কাশ্মীরের স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে  বুঝতে পারব, তাঁরা বর্তমানে কী পরিস্থিতিতে রয়েছেন।' 

কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে যাত্রা ইইউ এর কূটনীতিক দলের, যাওয়ার আগে কী বললেন তাঁরা

সোমবার সংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্য এক সদস্য বিএন ডান। তিনি জানিয়েছেন,  'প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আমাদের ৩৭০ ধারা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন। বেশ খানিকক্ষণ কাশ্মীর ইস্যুতে আমাদের আলোচনাও হয়েছে। কাশ্মীরে আদতে কী পরিস্থিতি রয়েছে, তা আমরা নিজেদের চোখে দেখতে চাই। আমরা মঙ্গলবার কাশ্মীরে যাব। বেশ কিছু স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলব। আমরা শুধু কাশ্মীরে শান্তি দেখতে চাই। কাশ্মীরে যাওয়ার পর বুঝতে পারব, সেখানকার বাসিন্দারা কী পরিস্থিতিতে রয়েছেন। ''