- Home
- India News
- Deputy PM: ২২ বছর পর কি ফের উপপ্রধানমন্ত্রী? নরেন্দ্র মোদীর ডেপুটি নিয়ে আলোচনায় ২টি নাম
Deputy PM: ২২ বছর পর কি ফের উপপ্রধানমন্ত্রী? নরেন্দ্র মোদীর ডেপুটি নিয়ে আলোচনায় ২টি নাম
Modi Cabinet Reshuffle: মোদী সরকারের আসন্ন মন্ত্রিসভা রদবদলকে ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রায় ২২ বছর পর দেশে আবার উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়োগ হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। আলোচনায় উঠছে ২টি নাম।

২২ বছর পরে উপপ্রধানমন্ত্রী পাবে ভারত?
দীর্ঘ ২২ বছর পরে ভারতে আবার উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়োগ হতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তেমনই গুঞ্জন জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে। মনমোহন সিং-এর জমানায় দেশে কোনও উপপ্রধানমন্ত্রী ছিল না। নরেন্দ্র মোদীর ১২ বছরের শাসনকালেও দেশে উপপ্রধানমন্ত্রী নেই। কিন্তু মোদীর তৃতীয় দফার দ্বিতীয় বছরের মাঝামাঝি এসে উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করা হতে পারে। কে হতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদীর উপপ্রধানমন্ত্রী- তাই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।

শেষ উপপ্রধানমন্ত্রী কে?
ভারতের শেষ উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন লালকৃষ্ণ আডবানী। দিল্লিতে কানপাতলে এখনও শোনা যায়, বাজপেয়ীর আমলে তিনি ছিলেন সবথেকে শক্তিশালী মন্ত্রী। ক্যাবিনেটে তাঁর কথাই ছিল শেষ। তাঁকে জাতীয় রাজনীতিতে লৌহ পুরুষও বলা হতো। কিন্তু তারপর মোদী আর মনমোহনের জমানায় কোনও উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়নি।
দেশে ৭ জন উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন
এপর্যন্ত ভারতে ৭ জন উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁরা হলেনঃ
- সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল (১৫ আগস্ট ১৯৪৭ - ১৫ ডিসেম্বর ১৯৫০)
- মোরারজি দেশাই (২১ মার্চ ১৯৬৭ - ৬ ডিসেম্বর ১৯৬৯)
- চরণ সিং (২৪ জানুয়ারি ১৯৭৯ - ২৮ জুলাই ১৯৭৯)
- জগজীবন রাম (২৪ জানুয়ারি ১৯৭৯ - ২৮ জুলাই ১৯৭৯)
- যশবন্তরাও চ্যাভান (২৮ জুলাই ১৯৭৯ - ১৪ জানুয়ারি ১৯৮০)
- চৌধুরী দেবী লাল (২ ডিসেম্বর ১৯৮৯ - ২১ জুন ১৯৯১)
- লাল কৃষ্ণ আডবাণী (২ জুন ২০০২ - ২২ মে ২০০৪)
উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়ে জল্পনা
একটি সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে বিজেপি এবার উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়োগের চিন্তাভাবনা করছে। ভারতে পদটি সাংবিধানিক নয়, মূলত আলঙ্কারিক। জোট সমীকরণ বা দলের অন্দরে ক্ষমতার সাম্য বজায় রাখার জন্য অনেক সময় এই পদে নিয়োগ করা হয়। এবারও এই পদে নিয়োগ করার চিন্তাভাবনা রয়েছে কয়েকটি সমীকরণ মেলানোর জন্য।
কে হবেন উপপ্রধানমন্ত্রী?
কে হতে চলেছেন ভারতের উপপ্রধানমন্ত্রী? তাই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। কারণ এই তালিকায় একাধিক নাম ঘোরাফেরা করলেও মূলত এগিয়ে রয়েছেন এই দুজন ব্যক্ত। একজন অমিত শাহ ও অন্যজন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার।
অমিত শাহ
অমিত শাহ নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক সঙ্গী। গুজরাট থেকেই মোদী-শাহের জোট রয়েছে। বর্তমানে অমিত শাহের হাতে রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দিল্লির রাজনীতি অনুযায়ী তিনি বর্তমানে মোদীর সবথেকে শক্তিশালী মন্ত্রী। ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁকে চাণক্য বলা হয়। অনেক জায়গায় আলোচনা তিনি পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তাই ভিত হয়তো এবারই তৈরি করতে পারে ভারতীয় জনতা পার্টি।
নীতীশ কুমার
বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে তাঁকে রাজ্যসভায় এনেছে বিজেপি। একটা সময় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজেকে দাবির পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছিলেন নীতীশ। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তাঁকে সরানো হলেও বড় কোনও পদ এখনও দেয়নি। আর সেই কারণেই জাতীয় রাজনীতিতে উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নামও ঘোরাফেরা করছে।
বয়স বিতর্ক
অন্দরে ৭৫ বছর বয়সের একটি 'অলিখিত নিয়ম' বা নীতি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে চর্চা চলে আসছে। ২০১৪ সালে সরকার গঠনের পর লালকৃষ্ণ আডবাণী, মুরলী মনোহর জোশীর মতো প্রবীণ নেতাদের মূল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এই বয়সের নিয়মের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে শীর্ষ নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এই নিয়ম মানা হবে কি না, তা নিয়ে প্রায়শই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
বিজেপির বার্তা
দিল্লিতে উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করা হবে কিনা তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে কোনও স্পষ্ট বার্তা দেয়নি বিজেপি। যদিও সামনেই মোদীর মন্ত্রিসভার রদবদল হওয়ার কথা রয়েছে। তাই এই আলোচনাও শুরু হয়েছে।
বিজেপিতেও রদবদল
নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভার রদবদলের পাশাপাশি বিজেপিতেও রদবদল হওয়ার কথা রয়েছে। নীতিন নবীন ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁর টিম তৈরি করা হয়নি। সেইকাজও দ্রুত সারা হতে পারে বলেও বিজেপি সূত্রের খবর।

