রবিবার মধ্যরাতে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত তাজ হোটেলে বোমার হুমকি দিয়ে একটি ফোন আসে। ফোনে বলা হয়, দাউদ ইব্রাহিম হোটেলে বোমা রেখেছে। এই খবর পেয়েই মুম্বাই পুলিশ ব্যাপক তল্লাশি শুরু করে এবং হোটেল চত্বরে নজরদারি বাড়ায়।
মুম্বাই: রবিবার মধ্যরাতে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত তাজ হোটেলে বোমার হুমকি দিয়ে একটি ফোন আসে। রাত ১২টা ১৩ মিনিট নাগাদ মুম্বাই পুলিশের কন্ট্রোল রুমে এক ব্যক্তি ফোন করে জানায়, 'দাউদ তাজ হোটেলে বোমা রেখেছে'। এই একটা ফোনেই তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। হুমকির ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কন্ট্রোল রুম থেকে মুম্বাইয়ের মেন কন্ট্রোল রুমে খবর দেওয়া হয়। কোলাবা থানা, ক্রাইম সিন ইনভেস্টিগেশন ইউনিট এবং বোম ডিটেকশন অ্যান্ড ডিসপোজাল স্কোয়াডের (বিডিডিএস) দলগুলো দ্রুত হোটেলে পৌঁছে একটি ব্যাপক তল্লাশি অভিযান শুরু করে।

এরপরই কোলাবা পুলিশ স্টেশন, ক্রাইম সিন ইনভেস্টিগেশন টিম এবং বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড দ্রুত তাজ হোটেলে পৌঁছয়। পুলিশ এবং বম্ব স্কোয়াডের টিম হোটেলের লবি, বিভিন্ন হল, সুইমিং পুল, পার্কিং এলাকা এবং হোটেলের বাইরের চত্বর সহ বিভিন্ন জায়গায় চিরুনি তল্লাশি চালায়। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পরেও পুলিশ কোনও সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক খুঁজে পায়নি। পুলিশের টেকনিক্যাল টিম তদন্ত করে জানতে পারে, এই হুমকি ফোনটি নভি মুম্বাইয়ের তুর্ভে এলাকা থেকে করা হয়েছিল।
কলারকে ট্র্যাক করা হচ্ছে
কলটির প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণে জানা গেছে যে এটি নভি মুম্বাইয়ের তুরভে এলাকা থেকে করা হয়েছিল। তুরভে থানার সহায়তায় পুলিশ কলারকে শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে। আরও তদন্ত চলছে। জানা গিয়েছে যে নম্বর থেকে ফোনটি এসেছিল, সেই নম্বরের সূত্র ধরে পুলিশ ফোন করা ব্যক্তির খোঁজ চালাচ্ছে। তার সম্পর্কে আরও তথ্য জোগাড় করার চেষ্টা চলছে। রবিবার রাত থেকে পুলিশ হোটেল চত্বরের প্রতিটি গতিবিধির উপর কড়া নজর রাখছে। এখনও পর্যন্ত সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেও তাজ হোটেলে একই রকম একটি হুমকি ফোন এসেছিল। তখনও হোটেলের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে সেই বারেও তল্লাশিতে কিছুই পাওয়া যায়নি, এবং কোনও সন্দেহভাজনকেও ধরা যায়নি।


