উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে প্রবল বৃষ্টির কারণে ধস নেমেছে। এর ফলে সোনপ্রয়াগের কাছে কেদারনাথ হাইওয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চার ধাম যাত্রায় প্রভাব পড়েছে। প্রশাসন জেসিবি দিয়ে রাস্তা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছে, তবে যাত্রা সতর্কতার সঙ্গে চালু আছে।

উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় একটানা ভারী বৃষ্টির ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই সোনপ্রয়াগের কাছে মুনকাটিয়ায় ধস নেমে কেদারনাথ হাইওয়ে বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে চলতি চার ধাম যাত্রাও প্রভাবিত হয়েছে। রাস্তা থেকে ধস সরাতে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে জেসিবি-সহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি নামানো হয়েছে। জেলা বিপর্যয় মোকাবিলা কন্ট্রোল রুম থেকে পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে জেলা প্রশাসন। ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলিতে আধিকারিকদের ২৪ ঘণ্টা সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রশাসনের বক্তব্য এবং যাত্রার বর্তমান অবস্থা

জেলা বিপর্যয় মোকাবিলা আধিকারিক (DDMO) নন্দন সিং রাজওয়ার জানিয়েছেন, সাময়িকভাবে রাস্তা বন্ধ থাকলেও কেদারনাথ যাত্রা মোটের ওপর মসৃণভাবেই চলছে। তিনি আত্মবিশ্বাসী যে দ্রুতই রাস্তা খুলে দেওয়া সম্ভব হবে। তিনি এএনআই-কে বলেন, "কেদারনাথ যাত্রা মসৃণভাবেই চলছে। গৌরিকুণ্ডের কাছে মুনখাটিয়ায় রাস্তা বন্ধ হয়ে আছে, সেখানে একটি জেসিবি কাজ করছে এবং রাস্তাটি শীঘ্রই খুলে দেওয়া হবে। যাত্রা পথে আমাদের সেক্টর অফিসার এবং অন্যান্য কর্মীরাও সতর্ক রয়েছেন, যাতে কোনও রকম পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে তীর্থযাত্রীদের সাহায্য করতে পারেন। জেলাশাসকও নির্দেশ দিয়েছেন, যাঁদের যা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁরা যেন নিজের নিজের জায়গায় সতর্ক থাকেন।"

তীর্থযাত্রী ও স্থানীয়দের জন্য সতর্কতা

প্রশাসন তীর্থযাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভারী বৃষ্টির সময় সতর্ক থাকতে বলেছে। তাদের নিরাপদ জায়গায় থাকতে, অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়াতে এবং কর্তৃপক্ষের জারি করা নির্দেশ মেনে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তেহরি গাড়োয়ালেও যান চলাচল ব্যাহত

এদিকে, পাশের জেলা তেহরি গাড়োয়ালেও যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। মুসৌরি বেন্ডের (কেম্পটি) কাছে ধস নামায় নৈনবাগ রুটে সাময়িকভাবে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তেহরি পুলিশের মতে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যান চলাচল স্বাভাবিক করতে জেসিবি মেশিন দিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা পরিষ্কারের কাজ চলছে। পুলিশ যাত্রীদের শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াত করতে এবং ট্র্যাফিক সংক্রান্ত পরামর্শ ও নির্দেশ মেনে চলতে বলেছে।