এক বছরেও বেশি সময় ধরে বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনাভাইরাস। ইতিমধ্যেই ব্রিটেন, দক্ষিণ আফ্রিকা সহ বেশ কয়েকটি দেশে ভাইরাসটির জিনগত পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে। এবার সেই তালিকায় জুড়ে গেল ভারতের নাম। মঙ্গলবারই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, মহারাষ্ট্র ও কেরলে কিছু মানুষের নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে E484K ও  N440K-র পরিবর্তন ধরা পড়েছে। এই দুটি রাজ্যে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অন্যান্য রাজ্যগুলির তুলনায় বেশি। তাই ভাইরাসটির পরিবর্তনই তার জন্য দায়ি কিনা তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। 

সংখ্যাগুলির প্যাথোজেনের প্রোটিনগুলির পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে, যা এটির কাঠামোটিকে সামঞ্জস্য করতে পারে। এই পরিবর্তনের মধ্যে কমপক্ষে একটি E484K ভ্যাকসিনগুলির কার্যকারিতা গ্রাস করতে ও পূর্ববর্তী সংক্রমণ অকার্যকর করার জন্য প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সক্ষম  হয়েছে বলেই দাবি করা হয়েছে। যা নিয়ে কিছুটা হলেই দুশ্চিন্তা বাড়ছে স্থানীয় প্রশাসনের। 

কবে কমবে পেট্রোলের দাম, করোনাকে দায়ি করে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মন্তব্য পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীর...

টুলকিট মামলায় অবশেষে জামিন, ১ লক্ষ টাকার বিনিময় মুক্তি পেলেন দিশা রবি ...

স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর ভাইরাসটির পরিবর্তনের কারণেই যে দুটি রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে তার কোনও প্রমান এখনও পর্যন্ত হাতে পাওয়া যায়নি। তবে এই দুটি রাজ্যে এখনও পর্যন্ত সক্রিয় মামলার সংখ্যা ৭৫ শতাংশেরও বেশি বলেই জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সচিব রাজেশ ভূষণ। নীতি আয়োগের সদস্য ভিকে পল জানিয়েছেন কেরল ও মহারাষ্ট্রে নতুন রূপান্তিত রূপ নিয়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকান কোভিড ১৯ নতুন রূপ ৬ জনের মধ্যে পাওয়া গেছে। আর ব্রাজিলিয়ান রূপটি পাওয়া গেছে এক, জনের মধ্যে। আর এখনও পর্যন্ত ব্রিটিশ স্ট্রেইনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৭। করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার জন্য ইতিমধ্যেই ভারতে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য ১০টি সরকারি ল্যাবগুলির একটি নেটওয়ার্ক হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। আর সেক্ষেত্র দ্রুততার সঙ্গে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।