দীর্ঘ ৩৪ বছর পর ভারতীয় শিক্ষানীতিতে এসেছে আমুল পরিবর্তন। আর এই পরিবর্তনে রীতিমত জোর দেওয়া হয়েছে শিক্ষকদের শূণ্যপদ পূরণের দিকে। কারণ নতুন শিক্ষানীতিতে ছাত্র ও শিক্ষক অনুপাতের দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথমত শিক্ষকদের শূণ্যপদগুলি যথাসময় পূরণ করা হবে। আর সেইক্ষেত্র অগ্রাধিকার পারে পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলি। 

এনইপি-২০২০তে স্থানীয় শিক্ষক বা স্থানীয় ভাষার সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের নিয়োগের ক্ষেত্রটিও বিবেচনা করা হয়েছে। কারণ এই শিক্ষানীতিতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষায় শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। 

নতুন শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছে স্কুলগুলিতে ৩০ জন ছাত্রের জন্য এক জন শিক্ষক থাকবেন। তবে আর্থ ও সামাজিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া এলাকায় এই অনুপাত ২৫:১ করার দিকেই জোর দেওয়া হয়েছে। কারণ নতুন শিক্ষানীতিতে সকলের জন্য শিক্ষার দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।  পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টিতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাকদের আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষাদানে উৎসাহিত করার জন্য কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। 

পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়তে হবে মাতৃভাষায় , নতুন শিক্ষানীতিতে গুরুত্ব কমছে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্..

একই সঙ্গে নতুন শিক্ষানীতিতে ভারতীয় সংস্কৃতির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এক আরএসএস নেতার কথায় মূল্যবোধের পাশাপাশি আত্মা, বুদ্ধি ও কর্মেও ভারতীয় হওয়ার ওপর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাই মাতৃভাষায় শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতভাষায় শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের পঠনপাঠনের তিনটি ভষার মধ্যে সংস্কৃত রাখারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।  পাশাপাশি প্রাচিন গ্রন্থ ও সংস্কৃতি চর্চার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ইতিহাসের পাঠ্যপুস্তক নিয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলেও একটি সূত্রের খবর। বুধবারই অনুমোদিত হয়েছে নতুন শিক্ষানীতি। আর এই শিক্ষা নীতিতে রীতিমত স্বাগত জানিয়েছেন প্রাধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

রাতের কার্ফু তুলে নেওয়া হচ্ছে, চোখ রাখুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আনলক ৩ নির্দেশিকায় .

রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী সংঘাত শেষ হলেও রাজস্থান বিধানসভার অধিবেশন ঘিরে প্রশ্ন, আসবেন তো শচীন পাইলট ...