ভারত চিন সীমান্তের উত্তেজনার আঁচ পড়তে শুরু করেছে ভারতীয় শিল্পনীতিতেও। ৪জি স্তরে উন্নীত হতে চলেছে ভারত সঞ্চার নিগম বা বিএসএনএল। কিন্তু ৪জি স্তরে উন্নীত হওয়ার জন্য কোনও রকম চিনা সামগ্রী ব্যবহার করতে পারবে না বিএসএনএল। দৃড়ভাবে জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা দেওখা দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রটি আরও জানিয়েছে প্রয়োজনে টেন্ডার পুনরায় বিবেচনা করা হবে বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে অধিদফতর। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি আপারেটারদেও চিনা পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমানোর ক্ষেত্রটিও বিবেচনা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছে সূত্র। দেশীয় পণ্য ব্যবহারের ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। 

ভারতী এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডির টেলিকম সংস্থাগুলির বর্তমান নেটওয়ার্ক চিনা সংস্থা হুাওয়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। অন্যদিকে জেডটি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব বিএসএনএল-এর সঙ্গে কাজ করে। সূত্রের খবর চিনা সংস্থার তৈরি সরঞ্জাম নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বদাই সন্দেহজনক। ২০১২ সালে মার্কিন আইন প্রণেতাদের একটি কমিটি চিনা সংস্থার তৈরি টেলিকম নেটওয়ার্ক থেকে সাইবার গুপ্তচর বৃত্তির বিষয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। যদিও চিনা সংস্থাগুলি এই অভিযোগের তীব্র বিরোধিতা করেছিল।

'জুম' থেকে 'টিকটক' ৫২টি চিনা অ্যাপে লুকিয়ে বিপদ, দাবি ভারতীয় গোয়েন্দাদে

৩০০ বছর কোনও পুজো হয়নি মন্দিরে, বালি মাফিয়াদের 'দৌরাত্ম্যে' সামনে আসছে ইতিহাস ...  

প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে নিশানা করে '৫ ডাবলু' রাহুলের, লাদাখ ইস্যুতে সনিয়ার বিঁধলেন মোদীকে ...

সূত্রের খবর টেলিকম মিনিস্ট্রি বিএসএনএস এমটিএনএল এবং অন্যান্য সহায়ক সংস্থাগুলিকে চিনা সরঞ্জাম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছে। লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা ছাড়াও আত্মনির্ভর ভারত গঠনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টেলিকম মিনিস্ট্রির এই সিদ্ধান্ত বিএসএনএলকে ৪জি স্তরে উন্নীত করার ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে। এই দেশে রিলায়েন্সই একমাত্র সংস্থা যে নেটওয়ার্কোক সংক্রান্ত বিষয়ে চিনা সংস্থার ওপর নির্ভর করে না বলে দাবি করে।