Asianet News BanglaAsianet News Bangla

ধ্বংস হল নয়ডার টুইন টাওয়ার, বিস্ফোরণের বোতাম টিপেই কেঁদে ফেললেন চেতন দত্ত

মাত্র ৯ সেকেন্ডেই ঘটে গেল ভারতের বৃহত্তম ধ্বংসকার্য। বোতাম টিপলেন চেতন দত্ত। টুইন টাওয়ার ভেঙে পড়তেই কেঁদে ফেললেন হাউহাউ করে। 

Noida Twin Tower Demolitioner chetan dutta speaks to media ANBSS 
Author
First Published Aug 29, 2022, 12:07 AM IST

মাত্র ৯ সেকেন্ডেই গুঁড়িয়ে গেল দৈত্যাকার দুই টাওয়ার। নয়ডায় বেআইনিভাবে নির্মিত টুইন টাওয়ার ২৯ তলার সিয়ান এবং ৩২ তলার অ্যাপেক্স ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে সময় লাগলো মাত্র ৯ সেকেন্ড। মুম্বাই ভিত্তিক সংস্থা এডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিং-কে এই কাজের জন্য যুক্ত করা হয়েছিল। সংস্থার পক্ষ থেকে চেতন দত্ত এই বিস্ফোরণ ঘটানোর বোতাম টেপেন। যে পদ্ধতিতে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে তার নাম ‘ওয়াটারফল টেকনিক’। এই বিস্ফোরণকে ভারতের বৃহত্তম ধ্বংসকার্য বলে অভিহিত করা হয়েছে।

সুপারটেক লিমিটেডের এমেরাল্ড কোর্ট প্রকল্পের অংশ ছিল নয়ডার এই দুই টাওয়ার। অভিযোগ ছিল, ২টি টাওয়ার তৈরিতে নির্মাণ সংক্রান্ত একাধিক বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে। ‘নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ’-এর মাধ্যমে রবিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ দুটি টাওয়ার ধ্বংস হবার সাথে সাথে শেষ হল এক দীর্ঘ আইনি লড়াই। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের আগে আশেপাশের ন্যূনতম ক্ষতি নিশ্চিত করার জন্য দীর্ঘ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।

‘‘বোতাম টেপার পর গোটা ব্যাপারটি ঘটতে সময় লেগেছে নয় থেকে ১০ সেকেন্ড। আমার সঙ্গে মোট ১০ জন ছিলেন। তার মধ্যে সাত জন বিদেশি বিশেষজ্ঞ’’, এডিফাইস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আধিকারিক চেতন জানিয়েছেন, সকলেই রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনায় চোখ রেখেছিলেন স্টপওয়াচের দিকে।  চেতনের সঙ্গে ছিলেন আরও চার জন। মূলত এই পাঁচ জন মিলেই শেষ মুহূর্তে বোতাম টিপে গোটা বিষয়টিকে চূড়ান্ত পরিণতি দিয়েছেন। 

ঘটনার সময় কেউ কারও সঙ্গে একটি কথাও বলেননি, সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন চেতন। তিনি জানান, ‘‘বোতামে চাপ দেওয়ার পর আমি আস্তে আস্তে মাথা তুলি। দেখি যমজ অট্টালিকা ধসে পড়ছে। আমরা মাত্র ৭০ মিটার দূরে ছিলাম। সবকিছু যখন শেষ, আমি আমার দলকে নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে সেখানে পৌঁছই। ধুলো সরে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারিনি আমরা। সেখানে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারিনি। সকলেই কেঁদে ফেলি। একটা বিরাট দায়িত্ব সফল ভাবে পালন করার পর আবেগ ধরে রাখা খুবই কঠিন।’’

আরও পড়ুন-

শুভেন্দুকে নিয়ে ফরহাদের আলটপকা মন্তব্য, তৃণমূলের অন্দরে চাপা ক্ষোভ!
‘সন্ধ্যা রায়, মুনমুন সেন, মিমি, নুসরত, সায়ন্তিকা, সায়নী, জুনরা লুটেপুটে খাচ্ছে’, শালবনির শ্রীকান্তর মন্তব্যে
সময়ের সাথে খড়ি-ঋদ্ধির সম্পর্কে ফাটল? কোন দিকে গড়াচ্ছে বনি-কুণালের সম্পর্ক ? গাটছড়ার নতুন এপিসোড

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios