মধ্যপ্রদেশের সংকট নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি। তবে তিনি এই সংকটের জন্য জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে নিশানা করেননি। তাঁর নিশানায় ছিলেন প্রাধনমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর দফতরকে উদ্দেশ্য করে বুধবার সকালে ট্যুইট করেন রাহুল। তিনি বলেন, আপনি কেন ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন মধ্যপ্রদেশের নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য। কেন্দ্রীয় সরকার হয়তো খেয়ালই করেনি যে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম ৩৫ শতাংশ কমে গেছে। আপনি কী ভারতীয়দের প্রতি দয়া করে পেট্রোলের দাম কমাতে পারেন, বর্তমানে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম ৬০ টাকা ? যা স্থগিত অর্থনীতির উন্নয়নে সাহায্য করবে। 

এদিন সকালেই সাংবাদিকরা মধ্য প্রদেশের সংকট নিয়ে রাহুল গান্ধিকে প্রশ্ন করেছিল। কিন্তু সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেননি কংগ্রেস সাংসদ। তার কিছুক্ষণ পরেই ট্যুইট করে মধ্য়প্রদেশের সংকটের জন্য সরাসির প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেন রাহুল গান্ধি। গতকাল প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পরই কংগ্রেস ছেড়েছিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ায়। তবে বেশ কয়েক দিন ধরেই চলছিল রাজনীতিক চাপান উতোর। কিন্তু তা নিয়ে একবারের জন্য কোনও মন্তব্য করেননি রাহুল। কংগ্রেসের থাকাকালীন রাহুল গান্ধির তরুণ ব্রিগেডের অন্যতম সদস্য ছিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। রাহুলের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল। কিন্তু মধ্যপ্রদেশের নির্বাচনের পরই প্রবীন কংগ্রেস নেতা কমল নাথ ও দিগ্বিজয় সিং-এর জন্য মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম দাবিদার হওয়া সত্ত্বেও সরে যেতে হয় জ্যোতিরাদিত্যকে। 

আরও পড়ুনঃ ভারতে ছড়াচ্ছে করোনা, আতঙ্কের জেরে সিনেমা হল বন্ধ রাখার নির্দেশ

আরও পড়ুনঃ একসঙ্গে মরে পড়ে রয়েছে অসংখ্য বাদুড়, করোনা আতঙ্কের মাঝেই নতুন বিপদের গন্ধ কেরলে

লোকসভা নির্বাচনেও গুনা সংসদীয় কেন্দ্র থেকে হারের জন্য সংসদে যেতে পারেননি সিন্দিয়া। তবে সূত্রের খবর দলবদ করার পর বিজেপি তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী করে সংসদে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে। হতে পারেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও। মঙ্গলবার জ্যোতিরাদিত্যর দলবদল করার পর থেকেই যথেষ্ট সংকটে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকার। যদিও কমল নাথ অনুগামীরা জানিয়েছেন কোনও সমস্য নেই। নির্দল বিধায়কদের সমর্থন রয়েছে। কিন্তু মধ্যপ্রদেশে দলের সংকটের পর প্রধানমন্ত্রীকেই নিশানা করেছেন রাহুল গান্ধি। তবে তিনি জ্যোতিরাদিত্যকে নিশানা করে কিছু বলেন কিনা তাই এখন দেখার।