গোটা বিশ্বে ত্রাস তৈরি করেছে করোনাভাইরাস। আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ লক্ষ থেকে দ্রুত ২৫ লক্ষের দিকে এগোচ্ছে। কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে তা ভেবে পাচ্ছেন না বিশ্বের তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনায়করা। মারণ ভাইরাসের হাত থেকে নিরাপদ নন কেউই। রাজা থেকে প্রজা সকলেই শিকার করোনাভাইরাসের। বিশ্বের একাধির দেশের রাষ্ট্রনেতারা এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। এবার ভারতের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন রাজধানী দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনেও হানা দিল করোনাভাইরাস।

 

 

রাষ্ট্রপতি ভবনে কর্মরত এক ব্যক্তির শরীরে কোভিড ১৯ পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। এরপরেই স্বাস্থ্যমন্ত্রকের গাইডলাইন মেনে রাষ্ট্রপতি ভবনে বসবাসরত ১২৫টি পরিবারকে সেল্ফ আইসোলেশনে পাঠান হয়েছে। 

দেশে আরও বাড়ছে লকডাউনের মেয়াদ, ইজ্ঞিত দিল বিমান সংস্থাগুলিকে দেওয়া ডিজিসিএ-র নির্দেশ

আশা জাগিয়ে সিডনিতে খুলল সমুদ্র সৈকত, অ্যাডিলেইডের রাজপথে খেলায় ব্যস্ত ক্যাঙ্গারু

লকডাউনে গৃহবন্দি মানুষ, জনশূণ্য রাস্তায় নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে পশুরাজের পরিবার, ভাইরাল হল ছবি

জানা যাচ্ছে, রাষ্ট্রপতি ভবনের এক সাফাই কর্মীর আত্মীয় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি মারা যান৷ মৃত ব্যক্তির শেষকৃত্য এবং পারলৌকিক কাজ অংশ নিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি ভবনের ওই সাফাইকর্মী৷ ঘটনার কথা সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গেই রাষ্ট্রপতি ভবনে ওই সাফাইকর্মীর ঘর এবং তার আশপাশের এলাকা সিল করে দেওয়া হয়৷ আর ওই ব্যক্তিকে পাসের বিড়লা মন্দির পরিষদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠান হয়। 

ওই সাফাইকর্মী তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রেসিডেন্সিয়াল এস্টেটে থাকতেন৷  সেখানকার প্রত্যেক বাসিন্দাকেই  সেল্ফ আইসোলেশনে পাঠান হয়েছে৷ পাশাপাশি যে আধিকারিকের দফতরে ওই সাফাইকর্মী কাজ করেন তাঁকেও আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই গোটা এলাকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা মেনে সিল করা হয়েছে৷

এদিকে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে গেল। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী কোভিড ১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৫৩৯ জন। মৃতের সংখ্যা ৫৯২। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর রাজ্য গুজরাতে বর্তমানে করোনা সংক্রমণের শিকার ১,৮০০ বেশি মানুষ। ফলে দেশে করোনা সংক্রমণের ক্রম তালিকায় তামিলনাড়ুকে পেছনে ফেলে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে এই রাজ্য। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে যথাক্রমে রয়েছে মহারাষ্ট্র ও দিল্লি।