রাফাল নিয়ে আবারও সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। হ্যালএর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নাম না করে কংগ্রেসকে আক্রমণ মোদীর। 

রাফাল ইস্যুতে আবারও সুর চড়ালেন প্রধাননন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার কর্নাটকের হিন্দুস্থান অ্যারোনেটিক্স লিমিটেডের একটি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে কংগ্রেস এই সংস্থাটিকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তুলে সুর চড়ান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কংগ্রেস তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে হিন্দুস্থান অ্যারোনেটিক্স লিমিটেডকে ব্যবহার করার জন্য যেসব অভিযোগ তুলেছে তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। জনগণকে উস্কে দেওয়ার জন্য কংগ্রেস এই কাজ করেছেন বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মোদী বলেন, আজ হ্যাল -এর হেলিকপ্টার কারখানাটি একটি সাক্ষ্য হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। যা এইচএএল সম্পর্কে ছড়িয়ে পড়া মিথ্যা ও ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে। বেঙ্গালুর গুব্বি তালুকে সংস্থার হেডকোয়ার্টার উদ্বোধরের পর গ্রেসের নাম না করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন। এই হেলিকপ্টার ফ্যাক্টরি যা এ দেশের বৃহত্তম হেলিকপ্টার উৎপাদক সংস্থাও। তিনি আরও বলেন হ্যালকে ব্যবসার করা হয়েছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে। জনগণকে উস্কে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। এই অভিযোগ করে মোদী বলেন হ্যাল কেন্দ্রীয় সরকারের আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

২০১৭-১৮ সালে রাফাল যুদ্ধবিমান কেনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল দেশেক রাজনীতি। সেই সময় কংগ্রেসের তৎকালীন সভাপতি রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, হ্যাল থেকে রাফাল চুক্তি নরেন্দ্র মোদী ছিনিয়ে নিয়ে তাঁর বন্ধু অনিল অম্বানির নতুন সংস্থাকে দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেছিলেন হ্যাল হল ভারতের কৌশলগত সম্পদ, যা ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে দিল্লির মোদী সরকার। তাঁর অভিযোগ ছিল রাফাল যুদ্ধ বিমান তৈরির বরাট অনিল আম্বানিকে উপহার হিসেবে দিয়েছিল মোদী সরকার। তাতেই ভারতের গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্রীয় সংস্থা ধ্বংসের মুখে পড়েছিল।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের অভিযোগ ছিল মোদী সরকার ৫৪ হাজার কোটি টাকার রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তি নিয়ে দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্ব করেছে। এদিন মোদী বলেন তিনি ২০১৬ সালে এই কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন, আজ তিনি এই কারখানার উদ্বোধন করেন। তিনি সামরিক ক্ষেত্রে ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। তিনি আরও বলেন বর্তমান ভারত সামরিক ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে। এখন ভারতে প্রচুর যুদ্ধের সরঞ্জাম তৈরি হয়। এদিন এইচএলএ-র অবদানেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বলেন, গত আট থেকে নয় বছর মহাকাশ খাতে বিনিয়োগ আগের সরকারগুলির তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। গুব্বি তালিকের এই সংস্থায় ১ হাজারেও বেশি যুদ্ধ বিমান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ

হাইড্রোজেন উৎপাদনে বিশেষ জোর প্রধানমন্ত্রী মোদীর, স্বাগত জানালেন এনার্জি উইকে উপস্থিত শিল্পপতিরা

ত্রিপুরায় দাঁড়িয়ে বাম-কংগ্রেসকে একযোগে নিশানা অমিত শাহ, বলেন কমিউনিস্টদের ফিরতে দেবেন না

Adani Issue: নাম না করে আদানি ইস্যুতে অবশেষে বিবৃতি জারি সেবি-র, পাল্টা সমালোচনা বিরোধীদের