দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪ লক্ষ ছাড়িয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত মহামারির কবলে পড়ে মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৩৭ হাজারেরও বেশি মানুষের। এই পরিস্থিতি গোটা দেশই করোনাভাইরাসের টিকার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু কবে থেকে এই দেশের মানুষ করোনাভাইরাসের টিকা পাবে তা এখনও পর্যন্ত সঠিকভাবে কেউই বলতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আগামী ৪ঠা ডিসেম্বর সর্বদল বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে  এটাই হতে চলেছে দ্বিতীয় সর্বদলীয় বৈঠক। সূত্রের খবর দেশের মহামারি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হবে ওই বৈঠকে।

সূত্রের খবর শুক্রবারের এই বৈঠকে রাজ্যসভা ও লোকসভা সব দলের নেতৃত্বকে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে আহ্বান জানান হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে আবারও লকডাউনের পথে হাঁটতে পারে ভারত। তাই নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে জল্পনা। কারণে দিন করেক আগেই করোনাভাইরাসের ইস্যুকে একটি নতুন গাইডলাইন জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই নির্দেশিকা অনুযায়ী রাজ্যগুলি চাইলে ছোট ছোট এলাকায় লকডাউন জারি করতে পারে, প্রয়োজনে নাইট কার্ফুও জারি করতে পারে বলেও জানান হয়েছিল। তবে সেই নির্দেশিকায় এই বিষয়য়গুলি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না তেমনও জানান হয়েছিল।

কৃষক বিক্ষোভের মধ্যেই নতুন আইনের পক্ষে সওয়াল প্রধানমন্ত্রীর, সঙ্গে দিলেন উদাহরণও .. 

বুরারিকে জেলের সঙ্গে তুলনা বিক্ষোভকারী কৃষকদের, চরমপন্থীদের হাতেই আন্দোলনের চাবিকাঠি বলল বিজেপি

অন্যদিকে সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক বিকাশ ও প্রস্তুককারক সংস্থার কর্তাদের সঙ্গে এদিন কথা বলেন। ভার্চুয়াল বৈঠকে তিনি কথা বলেন জেনোভা বায়োফার্মাসটিক্যালস লিমিটেড, বায়োলজিক্যাল ই লিমিটেড ও ডাক্তার রেডডিস ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের কর্ণধারদের সঙ্গে। বৈঠকে তিনি বলেন প্রতিষেধক মধ্যে দিয়েই করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। টিকা বিকাশের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।