পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে ভোটারদের বিপুল উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, মানুষের এই বর্ধিত অংশগ্রহণ ইঙ্গিত দেয় যে তারা ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায় এবং এটি রাজ্যে বিজেপির বিজয়েরই পূর্বাভাস। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, বাংলার ভোটাররা এখন নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে ভোটারদের বিপুল উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, মানুষের এই বর্ধিত অংশগ্রহণ ইঙ্গিত দেয় যে তারা ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায় এবং এটি রাজ্যে বিজেপির বিজয়েরই পূর্বাভাস। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, বাংলার ভোটাররা এখন নির্ভয়ে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। যা গত কয়েক দশক ধরে ছিল অকল্পনীয়। উত্তরপ্রদেশে 'গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে'-র উদ্বোধন শেষে এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলায় বর্তমানে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলছে এবং বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে যে ভোটারদের উপস্থিতি অত্যন্ত বেশি। ঠিক প্রথম দফার মতোই, মানুষ বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে বেরিয়ে আসছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভোটকেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলায় ভোটগ্রহণ চলছে এক নির্ভয় পরিবেশে, যা গত ছয় বা সাত দশকে ছিল অকল্পনীয়।"

তিনি আরও বলেন, "মানুষ নির্ভয়ে তাঁদের ভোট দিচ্ছেন। এটি দেশের সংবিধানের এক শুভ প্রতীক এবং দেশের গণতন্ত্রের শক্তিশালী হওয়ারই নিদর্শন।" এ প্রসঙ্গে তিনি বাংলার জনগণকে তাঁদের অধিকার সম্পর্কে এতখানি সচেতন থাকার জন্য এবং বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। প্রধানমন্ত্রী অবশিষ্ট ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারাও একই উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে বেরিয়ে আসেন।

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে বিক্ষিপ্ত হিংসার একাধিক ঘটনা সত্ত্বেও প্রতিটি বুথেই ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। বর্তমান প্রবণতা বিচার করলে মনে হচ্ছে, চূড়ান্ত ভোটদানের হার প্রথম দফার হারের কাছাকাছিই পৌঁছতে পারে; উল্লেখ্য, প্রথম দফায় ভোটদানের হার ছিল ৯৩.১৭ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "আমি নিশ্চিত যে, এই পাঁচটি রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপি বিজয়ের এক ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করতে চলেছে। ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল একটি উন্নত ভারত গড়ার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করবে। এই ফলাফল দেশের উন্নয়নের গতিধারায় নতুন প্রাণশক্তি সঞ্চার করবে।"

পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়েই বর্তমান নির্বাচনী মরসুমের সমাপ্তি ঘটছে। কারণ তামিলনাড়ু, কেরালাম, আসাম এবং পুদুচেরিতে ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। চারটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির ফলাফল ৪ মে ঘোষণা করা হবে।