জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের চ্য়ালেঞ্জ গ্রহণ করলেন রাহুল। বললেন বিমান লাগবে না, তবে বিরোধী দলনেতাদের কাশ্মীরের সব অংশের মানুষের সঙ্গে কথা বলার স্বাধীনতা দিতে হবে। তাহলেই শুধু তিনি একা নন, বেশ কয়েকটি বিরোধী দলের নেতারাই কাশ্মীর যেতে প্রস্তুত বলে টুইট করেছেন তিনি।

৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর থেকে এখনও অবধি জম্মু কাশ্মীর ও লাদাখে বিরোধী দলনেতা বা সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি - কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের উপত্যকাবাসীর সঙ্গে কথা বলার একাধিক ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করা হয়েছে কাশ্মীরের পরিস্থিতি এখন প্রায় স্বাভাবিক। কিন্তু বিদেশী মিডিয়ায় বলা হচ্ছে জায়গায় জায়গায় কাশ্মীরিরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

আরও পড়ুন - পরিস্থিতি ঠিক থাকলে অস্ত্র ছাড়াই সেনারা মেলামেশা করবেন উপত্যকাবাসীর সঙ্গে:সেনাপ্রধান

আরও পড়ুন - কাশ্মীর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও স্বস্তি কেন্দ্রের, সময় দিল শীর্ষ আদালত

আরও পড়ুন - প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিলেন মুকেশ অম্বানি! জম্মু-কাশ্মীরের জন্য এল সুখবর

এই অবস্থায় কাশ্মীরের সত্যিকারের পরিস্থিতি কী, তা কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের মানুষকে জানাতে হবে বলে দাবি করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তারপরই সোমবার জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক রাহুল গান্ধীকে কাশ্মীরে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান। বলেন রাহুলকে আসার জন্য তিনি বিমান পাঠিয়ে দেবেন। কাশ্মীরের প্রকৃত অবস্থাটা কী দেখে তারপরই তাঁর মন্তব্য করা উচিত। তাঁর মতো দায়িত্বশীল মানুষের এইরকম আলপটকা মন্তব্য করা উচিত নয়।

এরই জবাবে মঙ্গলবার টুইটে রাহুল গান্ধী জানালেন বিরোধী নেতাদের এক প্রতিনিধি দল তৈরি রয়েছে রাজ্যপালের আমন্ত্রণ গ্রহণ করে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে যাওয়ার জন্য। তিনি আরও জানান, তাঁদের বিমান লাগবে না। কিন্তু উপত্যকার যে কোনও জায়গায় যে কোনও মানুষের সঙ্গে, সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ও কাশ্মীরে নিযুক্ত ভারতীয় সেনাদের সঙ্গে যাতে তাঁরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেন - সেই বিষয়টা নিশ্চিত করতে হবে।

শুধু রাহুল গান্ধীই নন, এদিন  আরেক কংগ্রেস নেতা শশী থারুরও সত্যপাল মালিকের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। তিনি টুইটে বলেছেন, শুধু রাহুল গান্ধী কেন? কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে তিনি লোকসভায় তিনি সব দলের প্রতিনিধিদের জম্মু-কাশ্মীরের প্রকৃত পরিস্থিতি দেখতে যাওয়ার ব্যবস্থা করার প্রস্থাব দিয়েছেন। সই মতো ব্যবস্থা করা হোক। এইবার রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক কী উত্তর দেন সেটাই দেখার।