Ram Temple: অযোধ্যা রাম মন্দিরের দানের টাকা চুরির ঘটনা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ফৈজাবাদ বার অ্যাসোসিয়েশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই মামলায় ধৃত অভিযুক্তদের হয়ে কোনও আইনজীবী সওয়াল করবেন না। এই নিয়ম ভাঙলে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
Ram Temple: অযোধ্যা রাম মন্দিরের দানের টাকা চুরির ঘটনা এখন শুধু ভারত নয়, দেশের বাইরেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে এই ঘটনা নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করছেন। মন্দিরের চুরির ঘটনা, বিশেষ করে রামলালার মন্দিরে, কিছু মানুষের কাছে যেন উৎসবের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের মন্তব্য দেখলে বোঝা যায়, এই ঘটনায় তারা কতটা খুশি।

এর মধ্যেই, চুরির দায়ে অভিযুক্তরা পড়েছেন মহা ফাঁপরে। কারণ, ফৈজাবাদ বার অ্যাসোসিয়েশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই মামলায় ধৃতদের হয়ে কোনও আইনজীবী সওয়াল করবেন না। অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যদি কোনও সদস্য আদালতে অভিযুক্তদের প্রতিনিধিত্ব করার চেষ্টা করেন, তবে তাঁকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হবে। এই সিদ্ধান্তের পর কেউই মামলাটি নিতে সাহস দেখাচ্ছেন না।
অভিযুক্তদের শহর ছাড়ার নিদান?
এই পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের এখন অন্য শহরের আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। নইলে তাদের বাঁচানো মুশকিল। বার অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে আইনজীবীরা মন্দির পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত চম্পত রাই, অনিল মিশ্র এবং গোপাল রাওকে অযোধ্যা ছাড়ার দাবিও জানিয়েছেন। তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি এই তিনজন তিন দিনের মধ্যে শহর না ছাড়েন, তবে পুরো অযোধ্যা শহর ঘেরাও করা হবে এবং কাউকে ঢুকতে বা বেরোতে দেওয়া হবে না।
২০০৫ সালেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল
রাম মন্দিরে দানের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে ধৃতদের হয়ে মামলা না লড়ার এই সিদ্ধান্ত অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল অযোধ্যার আইনজীবীরা। ২০০৫ সালে রাম জন্মভূমি কমপ্লেক্সে জঙ্গি হামলার অভিযুক্তদের ফৈজাবাদ আদালতে হাজির করা হলে, তখনও ফৈজাবাদ বার অ্যাসোসিয়েশন তাদের হয়ে মামলা লড়তে অস্বীকার করেছিল।
একজন আইনজীবী বলেন, "মন্দিরের প্রণামী চুরি আমাদের সকলের ভাবাবেগে আঘাত করেছে। ফৈজাবাদের আইনজীবীরা একমত হয়েছেন যে তাঁরা ধৃত অভিযুক্তদের প্রতিনিধিত্ব করবেন না। বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং সাধারণ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।"
রবিবার ফৈজাবাদ বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কালিকা মিশ্র জানান, রাম মন্দিরের প্রণামী চুরির মামলায় অভিযুক্তদের প্রতিনিধিত্ব না করার বিষয়ে সোমবার সংস্থার সাধারণ সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ২০০৫ সালেও রাম জন্মভূমি কমপ্লেক্সে জঙ্গি হামলার অভিযুক্তদের হয়ে সওয়াল না করার একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


