কাঠুয়ায় আবারও ফিরে এল সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি। আবারও ধর্ষণের ঘটনা। এবার নির্যাতিতা তিন বছরের শিশু। নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, ফল ব্রিক্রি করেই দিন কাটে তাঁর। দুপুরে দুবছরের শিশু কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর স্ত্রী দোকানে এসেছিলেন খাবার দিতে। সেই সময়ই বাড়িতে ছিল তাঁর তিন বছের কন্যা সন্তান। কিন্তু এক মেয়ে একা বাড়িতে থাকায় স্ত্রীকে বেশিক্ষণ দোকানে থাকতে দেননি। সেই অল্পসময়ের মধ্যেই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সামনে দাঁড়াতে হয়েছিল ছোট্ট মেয়েটিকে। নির্যাতিতার বাবার কথায়, স্ত্রী বাড়িতে ঢোকার আগেই মেয়ের কান্না শুনতে পান। দৌড়ে বাড়িতে যান তিনি। দরজা খুলতে চম্পট দেয় অভিযুক্ত। পুলিশে অভিযোগ জানানো সঙ্গে সঙ্গেই তদন্তে নামে কাঠুয়া থানার পুলিশ। 

আরও পড়ুনঃ মধ্যপ্রদেশের রাজনৈতিক সংকট অব্যাহত, জারি কংগ্রেস বিধায়কদের নাটক

গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। কাঠুয়ার পুলিশ আধিকারিক শৈলেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ২০ বছরের রতন দেব। বিহারের বাসিন্দা। তবে কর্মসূত্রে বেশ কয়েক মাস ধরেই রয়েছেন কাঠুয়ারই মারৌলি এলাকাতে। তিনি আরও জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ নির্যাতিতার বাবা অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই তদন্তে নামে পুলিশ। নির্যাতিতার মেডিক্যাল টেস্ট করা হয়। সেখানেই নির্যাতনের  প্রমান মিলেছে। তারপরই তৎপরতার সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। 

আরও পড়ুনঃ মধ্যপ্রদেশের সংকট নিয়ে মুখ খুললেন রাহুল, সিন্ধিয়া নয় নিশানায় মোদি

বছর দুই আগে কাঠুয়াতেই ধর্ষণ কর এক শিশুকে। প্রমান লোপাট করতে মৃতদেহ রাখা হয়েছিল মন্দিরে। সেই ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। অভিযুক্তদের আড়াল করার অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তদের পাশে দাঁড়িয়েছিল বিজেপি নেতৃত্বও। দীর্ঘ টালবাহানার পর গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের। তবে মঙ্গলবারে হওয়া ধর্ষণের ঘটনায় রীতিমত তাড়িঘড়ি পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ।