- Home
- India News
- Ration card: রেশন কার্ডে এই কাজটা আজই করে ফেলুন, না হলেই বন্ধ হতে পারে রেশনের চাল-ডাল পাওয়া
Ration card: রেশন কার্ডে এই কাজটা আজই করে ফেলুন, না হলেই বন্ধ হতে পারে রেশনের চাল-ডাল পাওয়া
Ration Card e-KYC: রেশন কার্ডের সঙ্গে e-KYC সম্পূর্ণ করা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি উপভোক্তাদের পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়ার অংশ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে e-KYC না করলে বিনামূল্যে রেশন পাওয়ার সুবিধা বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

রেশন কার্ড
দেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে রেশন কার্ড একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নথি। রেশন কার্ডের মাধ্যমে কম দামে বা বিনামূল্যে চাল-গম সহ অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যায়। পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য রেশন কর্ড গুরুত্বপূর্ণ।

সরকারি নির্দেশ
সম্প্রতি সরকার রেশন কার্ডধারীদের জন্য ই-কেওয়াইসি (e-KYC) সম্পূর্ণ করার নির্দেশ জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। খাদ্য মন্ত্রক নির্দিষ্য় সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে e-KYC করা না হলে ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
e-KYC জরুরি কেন?
ই-কেওয়াইসি আসলে এমন একটি যাচাই প্রক্রিয়া, যেখানে রেশন কার্ডধারীর পরিচয় আধার কার্ডের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিশ্চিত করা হয়। সরকার e-KYC করা রেশন কার্ডগুলি নিয়ে নিশ্চিত হতে পারে যে বৈধ ব্যক্তি বা মহিলাদের কাছেও যাচ্ছে সরকারি খাবার ও সাহায্য।
ভুয়োদের বাদ দিকেই e-KYC!
দীর্ঘদিন ধরে ভুয়ো বা ডুপ্লিকেট রেশন কার্ড ব্যবহারের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি সরকারের। পাশাপাশি মৃত ব্যক্তির নামেও রেশন তোলার ঘটনা সামনে এসেছে। আর সেই কারণেই রেশন কার্ডে e-KYC নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।
রেশন কার্ডের স্বচ্ছ ব্যবহার
সরকারি সূত্রের খবর, রেশন কার্ডের স্বচ্ছ ব্যবহারের জন্যই এই ব্য়বস্থা করা হয়েছে। একই ব্যক্তির একাধিক রেশন কার্ড ব্যবহারের মতো অনিয়ম ঠেকাতেই মূলত ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
কোথা থেকে করা যাবে e-KYC?
e-KYC করতে সাধারণত আধার কার্ডের প্রয়োজন হয়। রেশন দোকানে বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের মাধ্যমে অথবা কিছু রাজ্যে অনলাইন পোর্টাল বা মোবাইল অ্যাপের সাহায্যেও এই কাজ সম্পন্ন করা যায়। যদিও নিয়ম রাজ্যভেদে কিছুটা আলাদা হতে পারে।
সকলের কার্ডেই যাচাইকরণ
পরিবারের যেসব সদস্যের নামে রেশন কার্ড রয়েছে তাদের প্রত্যেকেরই e-KYC করানো জরুরি। শুধু পরিবারের প্রধানের তথ্য যাচাই করলেই চলবে না। অর্থাৎ একটি পরিবারে যতগুলি কার্ড রয়েছে ততগুলি e-KYC করতে হবে।
e-KYCতে সংশোধন
এই প্রক্রিয়ার সময় নাম, বয়স বা ঠিকানায় কোনও ভুল ধরা পড়লে তা সংশোধনের সুযোগও পাওয়া যায়। যা ভবিষ্যতের ঝামেলা কমিয়ে দেয়। আগামী দিনে যাতে রেশন বন্ধ না হয় তারজন্য e-KYC গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইন অফলাইন দুইভাবেই করা যায় e-KYC।
অনলাইন পদ্ধতি
ভারতের কেন্দ্রীয় পোর্টালে অথবা আপনার রাজ্যের ফুড অ্যান্ড সাপ্লাই ওয়েবসাইটে লগইন করুন (যেমন- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য সাথী পোর্টাল অথবা NFSA পোর্টাল)।আপনার আধার নম্বরের সাথে যুক্ত মোবাইল নম্বরে আসা OTP ব্যবহার করে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে পারবেন。এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের 'মেরা রেশন' (Mera Ration) মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করেও ফেস অথেন্টিকেশন বা OTP-এর মাধ্যমে এটি করা যায়
অফলাইন পদ্ধতি
আপনার নিকটস্থ রেশন ডিলারের কাছে (Fair Price Shop) বা 'দুয়ারে সরকার' (আপনার রাজ্যে চালু থাকলে) ক্যাম্পে সশরীরে যান।আপনার আঙুলের ছাপ (আধার বায়োমেট্রিক) যাচাইয়ের মাধ্যমে e-KYC সম্পন্ন করতে পারবেন।

