রেমডেসিভিরকে ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতের ড্রাগ কন্ট্রোল জেনারেল। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে জরুরি অবস্থায় এই ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে বলেই অভিমত। সূত্রের খবর চলতি মাসেই ভারতের বাজারে আসতে চলেছে এই অ্যান্টি ভাইরাল ড্রাগ।এই ওষুধ প্রয়োগ করে আমেরিকায় করোনা চিকিৎসায় সাফল্য এসেছে বলেই দাবি করেছেন সেখানকার চিকিৎসকরা। তাই রেমডেসিভির ওই দেশের খোলা বাজারে বিক্রি হলে করোনা আক্রান্তরা উপকৃত হবেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গিলিয়েড সায়েন্সের এই অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ প্রস্তুত করেছিল। সম্প্রতি কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই ওষুধ বা থেরাপি ব্যবহার করা হয়েছিল। পর্যবেক্ষণের এই সাফল্যই উৎসাহিত করেছে চিকিৎসকদের।  স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, শুধুমাত্র জরুরি অবস্থাতেই রেমডেসিভির ওষুধ প্রয়োগ করা যাবে।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও রেমডেসিভিরের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। এই ওষুধের কার্যকারিতা সম্পর্কিত আরও অনেক তথ্য প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ওই ওষুধটি মার্কিন মুলুকেও জরুরি অবস্থায় ক্ষেত্রে প্রয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। 

করোনা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শেষ বিদায় লাদাখের শহিদ সন্তোষ বাবুকে, চোখে জল আট থেকে আশির ...

দিল্লির করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আবার বৈঠকে অমিত শাহ, জেলা শাসকদের সঙ্গে আলোচনা ...

স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর এই ওষুধের পেটেন্ট গিলিয়েড সায়েন্সের নামে। গত ২৯ মে রেমডেসিভির আমদানি ও বাজারজাত করার অনুমতি চেয়েছিল ভারতীয় ড্রাগ কন্ট্রোল নিয়ন্ত্রক সংস্থা। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর দেশের রোগীদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে পয়লা জুন অনুমোদন দেওয়া হয়। ৬টি ভারতীয় সংস্থা এই ওষুষ প্রস্তুত করতে চেয়েছিল। ৫টি ভারতীয় সংস্থা ইতিমধ্যেই গিলিয়েড সায়েন্সের সঙ্গে চুক্তি করেছে। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নির্দেশিকা অনুযায়ী ১২ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ প্রয়োগ করা যাবে না। 

চিনা পন্য ব্যবহারে নিষেধ বিএসএনএল-কে, আত্ম নির্ভর ভারতের পথে পদক্ষেপ কেন্দ্রের ...

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া হিসেব অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬৬৯৪৬। নতুন করে ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এখনও পর্যন্তে মৃত্যু হয়েছে ১২ হাজার ২৩৭ জনের। আক্রান্তের তালিকায় প্রথমেই নাম রয়েছে মহারাষ্ট্রের। দ্বিতীয় স্থানে তামিলনাড়ু। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে দিল্লি ও গুজরাত।