'যখন নির্বাচন চলছিল, তখন সিমলায় প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে পিকনিকে ব্যস্ত ছিলেন রাহুল গান্ধী। এভাবে কি আর দল চলে!' বিহারে ভোটে হেরে এবার জোটশরিকের দিকে আঙুল তুললেন আরজেডি নেতা শিবানন্দ তিওয়ারি। মহাভোটে ভাঙন ধরবে না তো? জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুন: বিহারের মসনদে নীতিশ কুমারকে মনোনীত করল জোট, সোমবার হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান

এক্সিট পোলের যাবতীয় পূর্বাভাসকে ভুল প্রমাণ করে বিহারে ফের ক্ষমতায় ফিরল এনডিএ। রবিরার জোটের বৈঠকে পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হলেন নীতিশ কুমারই। আগামীকাল অর্থাৎ সোমবার আরও একবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। কিন্তু ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর কেন ধাক্কা খেল মহাজোট? তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে এখনও। কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তাঁদের মতে, রাহুল গান্ধীর দলকে বেশ আসন ছেড়ে বিপাকে পড়লেন লালু পুত্র তথা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। এই প্রসঙ্গে উঠে আসছে বাংলা ও তামিলনাড়ুর প্রসঙ্গও। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কংগ্রেসের সীমাবদ্ধতার জানেন বলেই বাংলায় বিধানসভা ভোটে তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী, তামিলনাড়ুতেও কংগ্রেসকে কম আসন ছাড়ার কথা ভাবছেন ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিনও।

আরও পড়ুন: মোদীর ভাগ্যে এবার আর শিকে ছিঁড়ল না, নীতিশের ডেপুটি হচ্ছেন অন্য বিজেপি নেতা

২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় এবার ৭০ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু জয় এসেছে মাত্র ১৯টি। মহাজোটে সব বড় আরজেডি বা রাষ্ট্রীয় জনতা দল কিন্তু প্রায় নিজেদের সবকটি আসনই ধরে রেখেছে। তেজস্বী যাদবের দল পেয়েছে ৭৫টি আসনে। সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের যদি আরও ভালো করত, তাহলে হয়তো মুখ্যমন্ত্রী কুর্সিতে বসতেন লালুপুত্রই। এই পরিস্থিতিতে রাহুল গান্ধী দল পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আরজেডি নেতা শিবানন্দ তিওয়ারি। তাঁর সাফ কথা, কংগ্রেস যেভাবে চলছে, তাতে অভিযোগ তোলাই যায়। এর ফলে লাভ হচ্ছে বিজেপির।'