রাজস্থান রাজনীতিতে নয়া মোড়। সোমবার বিক্ষুদ্ধ কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট দেশা করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও  প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে। তবে সেই বৈঠকে কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী ছিলেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। একটি সূত্র জানাচ্ছে রাহুল গান্ধী তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে শচীনের সঙ্গে দেখা করতে গেছেন। একটি সূত্র জানাচ্ছে শচীন পাইলটকে সবরকম সাহায্য করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। 

একটি সূত্র জানাচ্ছে সপ্তাহ দুয়েক আগেই দিল্লির একটি এলাকায় শচীন পাইলটের সঙ্গে দেখা করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। সেই বৈঠকে রাজস্থানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছিল। শচীন পাইলট ও কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ ১৮ জন বিধায়ক নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে। 

রবিবার রাজস্থানের কংগ্রেসের বিধায়কদের বৈঠকে শচীন পাইলট ও তাঁর নেতৃত্বে থাকে ১৮ জন বিদ্রোহী বিধায়ককে দল থেকে ছেঁটে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েগেছে। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের উপস্থিতিতেই শচীন বিরোধী আওয়াজ ওঠে। দলের অনেক বিধায়কই বলেন শচীন পাইলটদের বিশ্বাসঘাতক তকমা দিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশই তাঁদের দাবি মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বিরোধিতা করার জন্য  চরম সাজার প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণেই তাঁদের আর দলে ফিরতে দেওয়া যাবে না। 

দলেরই এক প্রবীন নেতা জানিয়েছেন, নগর উন্নয়ন ও আবাসন মন্ত্রী শান্তি ধারিোয়ালের এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন অশোক গেহলট শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক। আগামী ১৪ অগাস্ট রাজস্থান বিধানসভার অধিবেশন শুরু হবে। সেখানেই আস্থা ভোটের পথে হাঁটবেন অশোক গেহলট। জয়সালমীরের বৈঠকে উপস্থিত একাংশ বিধায়কের দাবি শচীন পাইলট ও তাঁর অনুগামীরা যদি আস্থা ভোটে উপস্থিত থাকেন আর তাঁরা যদি কংগ্রেসকে সমর্থন করেন তবেই তাঁদের দলে ফিরিয়ে নেওয়া যেতে পারে। 


রাহুল গান্ধী ঘনিষ্ট হিসেবেই পরিচিত শচীন পাইলট। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক রীতিমত ভালো। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করার পর থেকেই প্রিয়াঙ্কা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছিলেন বলেও সূত্রের খবর। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি শচীন পাইলট ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।  গত জুলাই মাস থেকেই অশোক গেহলটের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন শচীন পাইলট। কিন্তু তখনও বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি রাহুল। এই প্রথম শচীন পাইলট ইস্যুতে তাঁকে পদক্ষেপ করতে দেখা গেল।