পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় নাকি হিরণ্যকশ্যপ পরিবারের সদস্য। মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে গিয়ে কার্যত নিজেই এখন সমালোচনার শিকার হলেন বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ। 

সম্প্রতি রাজ্য রাজনীতিতে 'জয় শ্রী রাম' ধ্বনিই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়ে। বিভিন্ন সময়ে এই 'জয় শ্রী রাম' ধ্বনি শুনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন তাতে করে, তিনি বিজেপি সমর্থকদের রোষের শিকার হয়েছেন বহুবার। আর এর মধ্যে জনসমক্ষে 'জয় শ্রী রাম' ধ্বনি শুনে দু-দু'বার মেজাজ হারিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরফলে কখনও বিজেপি সমর্থকদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে আবার কখনও কখনও গ্রেফতারও হতে হয়েছে। আর এই বিষয়েই মন্তব্য করার সময়েই মমতা বন্দোপাধ্যায়কে হিরণ্যকশ্যপ পরিবারের সদস্য বলে মন্তব্য করে বসেন উত্তরপ্রদেশের উন্নাওয়ের বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ। 

 

আর বাধ্যতামুলক নয় হিন্দি, চাপের মুখে নয়া সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

বই'য়ের বোঝা বাড়ার পাশাপাশি এক লাফে ৩০০ শতাংশ হারে দাম বাড়ল পাঠ্যবইয়ের

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করে বসেন। তিনি জানান, হিরণ্যকশ্যপ নামে এক রাক্ষস ছিল। তার ছেলে প্রহ্লাদের ঈশ্বরে অগাধ আস্থা ছিল। একবার সে 'জয় শ্রী রাম' বলার জন্য হিরণ্যকশ্যপ তাঁকে বন্দি করে রেখেছিলেন। ঠিক তেমনই ঘটছে পশ্চিমবঙ্গে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও 'জয় শ্রী রাম' ধ্বনি শুনেই একের পর এক বিজেপি সমর্থকদের জেলে ঢোকানোর ব্যবস্থা করছেন। 'জয় শ্রী রাম' বলার জন্য কেন রেগে যাচ্ছেন তিনি সেই বিষয়টাও স্পষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন সাক্ষী মহারাজ। তবে সাক্ষী মহারাজের এই মন্তব্যের জেরেই রীতিমতো রোষের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। অনেকে মন্তব্য করেছেন, তিনি নিজে একজন সাংসদ হয়ে কীকরে এমন মন্তব্য করতে পারেন সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।