বই'য়ের বোঝা বইতে বইতে ছাত্র-ছাত্রীরা যখন জেরবার ঠিক তখনই এক লাফে পাঠ্যবই-এর দাম এক লাফে বাড়ল ৩০০ শতাংশ হারে। ঘটনাটি গুজরাতের। পড়ুয়াদের মা-বাবার একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সিলেবাসে যেহেতু কোনও বদল আসেনি, সেহেতু পাঠ্যবই-এর দাম বাড়ানো কার্যত অপ্রয়োজনীয় বলে মত প্রকাশ করেছেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু ক্লাসের পাঠ্যবই প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। সকলের পক্ষে বই পাওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছে। 

পড়ুয়াদের মা-বাবার সংগঠনের সভাপতি নরেশ শাহ অভিযোগ জানিয়েছেন, প্রতি বছর মাবনসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক, রাজ্য সরকার ও সর্বশিক্ষা অভিযানে পক্ষ থেকে যথেষ্ট পরিমাণে অনুদান পাওয়া যায়। পাশাপাশি বোর্ড তাঁদের বাজেটও ঠিকঠাক ব্যবহার করছেন না বলে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্হে বই'য়ের দাম এতটাই বাড়ানো হচ্ছে যে, তা সাধারণ মানুষের ধরা-ছোঁওয়ার বাইরে। কিন্তু এইভাবে দাম বাড়ানো যে একেবারেই অযৌক্তিক সেকথাই বারেবারে জানাচ্ছেন তাঁরা। তাঁদের যুক্তি একটাই যে, সিলেবাস না এলে কীভাবে বইয়ের দাম বাড়তে পারে। 

বন্দুকের লাইসেন্স পেতে গাছের সঙ্গে তুলতে হবে সেলফি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজে যেতে চান 'ভারত'-এর নায়িকা

প্রসঙ্গত, দ্বাদশ শ্রেণীর বায়োলজি বইয়ের দাম ৫৫ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৫৩ টাকা! অঙ্ক বইয়ের দাম যেখানে ছিল ১৮৮ টাকা, সেখানে দাম বেড়ে হয়েছে ২২৪ টাকা। পাশাপাশি কেমিস্ট্রি বইয়ের দাম ছিল ১৮১ টাকা, যা বেড়ে হয়েছে ২৫৭ টাকা। বোর্ডের নিয়ম অনুসারে যেখানে স্পষ্ট বলা রয়েছে যে, কেবলমাত্র সিলেবাসে বদল এলেই একমাত্র বইয়ের দাম বাড়া সম্ভব। জাতীয় শিক্ষানীতি যেখানে বিনামূল্যে শিক্ষাদানের কথা প্রচার করছে, সেখানে এইভাবে মূল্যবৃদ্ধি সেই নীতি লঙ্ঘন করছে।