বিজেপির নাম না করে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সঞ্জয় রাউত  অজিত পাওয়াকে ব্ল্যাকমেইলিং করা  হয়েছিল বলে অভিযোগ তাঁর  বিধায়কদের এক প্রকার অপহরণ করে রাজভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে রাউত মন্তব্য করেন পাঁচ জন বিধায়ক দলে ফিরে এসেছেন  বলে দাবি করেন তিনি   

বিজেপির বিরুদ্ধে এবার ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ নিয়ে এল শিবসেনার নেতা সঞ্জয় রাউত। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, শিবসেনা ধনঞ্জয় মুন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। অজিত পাওয়ারেরও ফিরে আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে সঞ্জয় রাউত মন্তব্য করেছেন। তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্রে সরকার গঠনের জন্য অজিত পাওয়ারকে ব্ল্যাক মেইল করছে। তবে এই ব্ল্যাক মেইলের নেপথ্যে কে রয়েছেন, তা এখনই প্রকাশ করা হবে না। শিবসেনার মুখপত্র সামনাতে খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে বিস্তারিত লেখা হবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

শিবসেনার নেতা সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, আট জন বিধায়কের মধ্যে পাঁচ জন বিধায়ক ফিরে এসেছেন। সঞ্জয় রাউত অভিযোগ করেছেন, মিথ্যা কথা বলে তাঁদের এক প্রকার অপহরণ করে রাজভবনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপরেই বিজেপিকে ফের হুমকি দিয়ে বলেন, ক্ষমতা থাকলে বিজেপি বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে দেখাক। শনিবার ভোর মহারাষ্ট্র থেকে রাষ্ট্রপতি শাসন তুলে নেওয়া হয়। এরপর সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন অজিত পাওয়ার। 

Scroll to load tweet…


উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলন করতে গিয়ে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার বলেন, সরকার গঠনের জন্য জোটের কাছে ১৭০ জন বিধায়কের সমর্থন ছিল। কিন্তু আমাদের পাশ কাটিয়ে এনসিপির বেশ কয়েকজন বিধায়ক বিজেপিকে সমর্থন করেছে। ওই সাংসদরা কখনই এসসিপিকে চিত্রিত করে না। অজিত পাওয়ার সম্পূর্ণ দলের বিরুদ্ধে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। এনসিপির ১০ থেকে ১১ জন বিধায়ক বিজেপিকে সমর্থন করেছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সকলের সঙ্গেই আমাদের যোগাযোগ ছিল। 


শিবসেনার প্রধান উদ্ধব ঠাকরে মন্তব্য করেন, আমরা যা করেছি, দিনের আলোয় করেছি। সকলের সামনে জোট গঠনের চেষ্টা করেছি। কিন্তু বিজেপি যেটা করেছে, রাতের অন্ধকারে করেছে। গোপনে করেছে। আমরা হরিয়ানাতে দেখেছেন, এর উদাহরণ আপনারা বিহারে দেখেছেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার জন্য সব কিছু করতে পারে। সমস্ত আইন ভাঙতে পারে। তাই দল ভাঙিয়ে বিজেপি সরকার গঠনের চেষ্টা করছে। বিজেপি মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্রের ওপর সার্জিক্যাল অ্যাটাক করেছে।