নতুন বছরের শুরুতে চাপ বাড়ল অনিল আম্বানির ওপর। অনিল আম্বানির রিলায়েন্স কমিউনিকেশন, রিলায়েন্স টেলিকম ও রিলায়েন্স ইনফ্রাটেলের ব্যাঙ্ক খাতাকে জালিয়াতি অ্যাকাউন্ট বলে চিহ্নিত করল স্টেট ব্য়াঙ্ক অব ইন্ডিয়া। ব্যাঙ্কের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে দিল্লি হাইকোর্টকেও। যা ধিরুভাই আম্বানির ছোট ছেলেকে আরও সমস্যায় ফেলতে পারে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আগমী দিনে তাঁকে বড়সড় তদন্তের মুখোমুখি দাঁড়াতে হতে পারে। দিল্লি হাইকোর্ট অনিল আম্বানির সংস্থাগুলির অ্যাকাউন্টে স্থাতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। 

অলাভজনক সম্পদ বা এনপিএ পরিণত হওয়ার পর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট জালিয়াতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এসবিআই-এর পক্ষ থেকে জানান হয়েছে অডিট চলাকালীন তারা তহবিলের অপব্যবহার, বিচ্যুতি আর তহবিলের সাইফোনিংয়ের সন্ধান পেয়েছে। আর সেই কারণেই তারা অ্যাকাউন্টগুলিকে জালিয়াতি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। নিয়ম অনুযায়ী একবার ব্যাঙ্ক কোনও অ্যাকাউন্টকে জালিয়াতি হিসেবে ঘোষণা করার পর আরবিআইকে তা ৭ দিনের মধ্যে জানাতে হবে। আর জালিয়াতির পরিমাণ যদি এক কোটি টাকার বেশি হয় তাহলে  ৩০ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোতে একটি অভিযোগ দায়ের করতে হবে। 

সূত্রের খবর অনিল আম্বানির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে সব মিলিয়ে ৪৯ হাজার কোটি টাকা ছিসয যার মধ্যে রিলায়েন্স ইফ্রাটলের অ্যাকাউন্ট ছিল ১২ হাজার কোটি টাকা। আর রিলায়েন্স টেলিকমের খাতায় ছিল ২৪ হাজার কোটি টাকা। এসবিআই এর এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় শিল্পমানচটিত্রে একটি কালো দাগ হিসেবেই চিহ্নিত করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের মতে এমনিতেই অনিল আম্বানির ব্যবসা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। তারপর এসবিআইএর এই সিদ্ধান্তে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতাও রীতিমত ধাক্কা খেল।