হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন সমাজকর্মী সোনাম ওয়াংচুক। সোমবার তিনি জানান, লাদাখে ফেরার আগে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানাতে দিল্লির রাজঘাটে যাবেন। দেশজুড়ে সমর্থনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।
সমাজকর্মী সোনাম ওয়াংচুক সোমবার জানিয়েছেন যে তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন। লাদাখে ফিরে যাওয়ার আগে তিনি মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানাতে রাজঘাটে যাবেন। এক্স-এ (আগের টুইটার) একটি পোস্টে ওয়াংচুক বলেন, তিনি সুইজারল্যান্ড থেকে ফিরে যন্তর মন্তরে অনশন শুরু করার আগেও একই কাজ করেছিলেন।
হাসপাতাল থেকে ছাড়়া পাচ্ছেন সোনম ওয়াংচুক
সোনম ওয়াংচুক বলেন, "অবশেষে সেই দিনটা এল, যেদিন আমি এই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছি। আজ এখান থেকে বেরিয়ে লাদাখে বাড়ি ফেরার আগে আমি বাপুকে (মহাত্মা গান্ধী) শ্রদ্ধা জানাতে রাজঘাটে যাব।"
নিজের আন্দোলনের শুরুর কথা মনে করে ওয়াংচুক বলেন, "আপনাদের হয়তো মনে আছে, একইভাবে আমি যখন সুইজারল্যান্ড থেকে ফিরেছিলাম, অনশন শুরু করার আগে আমরা রাজঘাটে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলাম এবং তারপর যন্তর মন্তরে গিয়েছিলাম। আজও আমরা আবার সেটাই করব এবং তারপর লাদাখে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেব।"
ককরোজদের ধন্যবাদ সোনম ওয়াংচুকের
এর আগে, ওয়াংচুক এই আন্দোলনের সমর্থকদের মন থেকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "যাওয়ার আগে আমি আপনাদের সবাইকে মন থেকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। দেশের কোণায় কোণায়, সব বয়সের মানুষ আমাদের সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন, একটা আন্দোলন চালিয়েছেন এবং আমরা সফলও হয়েছি। আশা করি, আপনাদের সবার সঙ্গে এভাবেই যোগাযোগ থাকবে। স্যালুট, নমস্কার, জুলি এবং জয় হিন্দ।"
শনিবার শেষ ৩৭ দিনের আন্দোলন
শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে ৩৭ দিন ধরে চলা এই আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে। NEET-UG 2026 পেপার ফাঁস কাণ্ডে দেশজোড়া বিক্ষোভের জেরেই ধর্মেন্দ্র প্রধান কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
ককরোজ জনতা পার্টি
CJI সূর্য কান্তের মন্তব্যের পর তৈরি হওয়া একটি ব্যঙ্গাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ 'ককরোচ জনতা পার্টি' (CJP) সরকারের কাছ থেকে তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস পেয়ে যন্তর মন্তর থেকে বিক্ষোভ তুলে নেয়। সাধারণত ফাঁকা থাকা দিল্লির যন্তর মন্তর, যা অনেকটা আমাদের কলকাতার ধর্মতলার মতোই বিক্ষোভের একটি পরিচিত জায়গা, এবার তরুণ ও পড়ুয়াদের ভিড়ে জমে উঠেছিল। CJP-র নেতৃত্বে এই বিক্ষোভে তারা ক্রিয়েটিভ ব্যানার আর জেন-জি স্ল্যাং নিয়ে হাজির হয়েছিল। প্রায় এক সপ্তাহ বিক্ষোভ চলার পর, লাদাখের সমাজকর্মী সোনাম ওয়াংচুক যোগ দিলে আন্দোলনটি নতুন গতি পায়। তাঁর ২৬ দিনের অনশন তাঁকে এই আন্দোলনের প্রধান মুখ করে তোলে।


