বিদেশ থেকে এদেশে আসা প্রতিটি ভারতীয়কে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি স্থানে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করা হচ্ছে। কিন্তু এইসব আইসোলেশন ওয়ার্ডের পরিস্থিতি নিয়েই  উঠছে বিভিন্ন প্রশ্ন। সম্প্রতি স্পেন থেকে দিল্লিতে ফিরেছেন ২১ বছরের এক ছাত্রী। দিল্লির দ্বারকা পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে তাঁকে। ৫ কামরার এই ট্রেনিং স্কুলে ওই ছাত্রী সহ ৪০ জনের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেখানে সকলের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মাত্র  ৩টি শৌচালয়। ওই কোয়ারেন্টাইনের শৌচালয়ের পরিস্থিতি সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন নাভ্যা দুয়া নামের ওই ছাত্রী।

গত ১৬ মার্চ কেএলএম এয়ারলাইন্সের বিমানে স্পেন থেকে দিল্লি ফেরেন নাভ্যা। তারপর থেকেই দ্বারকার পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন তিনি। সেখানকার শৌচালয়রে পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে  সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। 

 

 

পাশাপাশি ওই তরুণীর অভিযোগ ভারতে আসার পর ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও তাঁদের করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত এখনও কোনও পরীক্ষা করা হয়নি। পাশাপাশি কোয়ারেন্টাইনে তাঁদের জন্য পানীয় জল ও খাবারেরও ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ রয়েছে নাভ্যার।

আরও পড়ুন: বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশে করোনা মোকাবিলায় সফল মোদী প্রশাসন, স্বীকৃতি দিচ্ছে 'হু'

এদিকে আইসোলেশন ওয়ার্ডগুলির পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ব্যাপারে আগেই নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। এমনকি দিল্লি সরকার রাজধানীর তিনটি হোটেলকে কোয়ারেন্টাইন হিসাবে ব্যবহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা কোয়ারেন্টাইন ফ্যাসিলিটি সেন্টার গুলির পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। 

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কে শুনসান চিড়িয়াখানা, দর্শকের ভূমিকায় পেঙ্গুইন দম্পতি, ভাইরাল হল ভিডিও

সম্প্রতি অঙ্কিত গুপ্তা নামে এক ব্যক্তি মুম্বইয়ের কস্তুরবা হাসরপাতালের পরিস্থিতি নিজের সোশ্যাল সাইটে তুলে ধরেছেন। করোনা নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে সোস্যাল মিডিয়ায় সাধারণ মানুষের ট্যুইট রিট্যুইট করছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই কার্তিকেয় ওয়ালিয়া নামে এক ব্যক্তি রাজধানী কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের ফেসিলিটির পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। 

 

 

গত ৯ মার্চ মেঙ্গালুরুর হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি আইসোলেশন ওয়ার্ডের অবস্থা দেখে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে উদ্যোত হন। সম্প্রতি মানেসরে ভারতীয় সেনাক কোয়ারেন্টাইন সেন্টান থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি।