সোমবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন তিনি সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে দেবেন। সেই নিয়ে যথেষ্ট হৈচৈ শুরু হয়েগিয়েছিল। কিন্তু পরের দিনই তিনি জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়ার তিনি থাকবেন। কিন্তু এরই মধ্যে আসরে নেমে পড়েছেন রাহুল গান্ধি। কারণ সোমবার থেকেই দেশে একের পর এক করোনাভাইরাস আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সেই করোনাভাইরাস ইস্যুতেই প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধলেন কংগ্রেস সাংসদ  রাহুল গান্ধি। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি উদ্দেশ্য করে বলেন , সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে হইচই করে সময় নষ্ট করা বন্ধ করুন। এখানেই থেমে থাকেননি রাহুল গান্ধি। তাঁর ট্যুইটের সঙ্গে তিনি সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী একটি ভিডিও জুড়ে দেন। যেখানে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দেশবাসীর কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে দেখা গেছে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীকে। 

 

 

বিশ্বজুড়েই প্রভাব পড়েছে করোনা জীবানুর। এই ভাইরাস ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছিল চীনে। সেই দেশেই মৃত্যু হয়েছে ৩০০০ মানুষের। গোটা বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা নব্বই হাজারের কাছাকাছি। সিঙ্গাপুর, জাপানসহ একাধিক দেশে করোনায় আক্রান্তের হদিশ পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতি গত ১২ ফেব্রুয়ারি সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী এই ভিডিওটি পোস্ট করেছিলেন। সেই ভিডিও নিজের ট্যুইটের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন রাহুল গান্ধি। 

আরও পড়ুনঃ ভারতে আগত ১৫ ইতালিয় পর্যটকের দেহে মিলল করোনা ভাইরাস, ভিসা বাতিল চিন সহ ৫ দেশের

আরও পড়ুনঃ সঙ্কটে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস সরকার, টাকার বিনিময়ে বিধায়ক কেনার অভিযোগল বিজেপির দিকে

চলতি সপ্তাহের সোমবার এই দেশে দুই নাগরিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ইতালি থেকে আসা এক পর্যটকও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে। এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬। তবে করোনাভাইরাসের প্রকোপ রুখতে রীতিমত কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কারণ করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আলাদা থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। সন্দেনভাজন ব্যক্তিদের এক সপ্তাহের জন্য ভর্তি করা হচ্ছে হাসপাতালে। ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। বয়স্ক ও শিশুদের মাস্কের ব্যবহার করতেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারই ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন করোনা নিয়ে এখনই ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রত্যেক নাগরিকেরই সচেতনতভাবে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সঙ্গে একাধিক রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরও জোটবেঁধে কাজ করছে। 

আরও পড়ুনঃ দেশে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত, কী করবেন আর কী করবেন না জানাতে দেখে নিন সরকারের নির্দেশিকা

কিন্তু  প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করার সুযোগ পেয়ে ছেড়ে দিতে রাজি ছিলেন না রাহুল গান্ধি। তাই নিয়ে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও আপলোড করে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তেমনই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।