Tamil Nadu Bribery Reward: সিস্টেমকে ঝাঁকুনি দেওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রথমবার ভোটে লড়েই একেবারে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। নজির গড়া তামিলনাড়ু মুখ্যমন্ত্রী এবার দুর্নীতি বিরোধী লড়াইয়ে বড় পদক্ষেপ নিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিল তামিলনাড়ুর সরকার।
Tamil Nadu Bribery Reward: সিস্টেমকে ঝাঁকুনি দেওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রথমবার ভোটে লড়েই একেবারে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। নজির গড়া তামিলনাড়ু মুখ্যমন্ত্রী এবার দুর্নীতি বিরোধী লড়াইয়ে বড় পদক্ষেপ নিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিল তামিলনাড়ুর নতুন সরকার। এবার থেকে তামিলনাড়ুতে কোনও সরকারি কর্মী ঘুষ চাইলে তার ভিডিও প্রমাণ তুলে ধরলেই মিলতে পারে এক লক্ষ টাকার পুরস্কার। এমনই বড় ঘোষণা করেছে তামিলনাড়ু সরকার। প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।সরকারি অফিসে সাধারণ মানুষের কাজ করাতে ঘুষ দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বড় সমস্যা। সেই পরিস্থিতির মোকাবিলায় এবার সরাসরি সাধারণ মানুষকেই হাতিয়ার করতে চাইছে তামিলনাড়ু প্রশাসন।

কীভাবে দিতে হবে প্রমাণ
সরকারি কর্মচারী যদি ঘুষ দাবি করেন, তাহলে সেই ঘটনার ভিডিও তুলে অভিযোগ জানাতে হবে। অভিযোগের সঙ্গে জমা দিতে হবে উপযুক্ত প্রমাণও। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীকে দেওয়া হবে এক লক্ষ টাকার পুরস্কার। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র বড় অঙ্কের ঘুষ নয়, এক হাজার টাকা বা তার বেশি ঘুষ দাবি করলেও এই প্রকল্পের আওতায় অভিযোগ করা যাবে। ভিডিও ছাড়াও অডিও বা অন্য নথিভিত্তিক প্রমাণও গ্রহণ করা হতে পারে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
কোথায় জানাতে হবে
এই অভিযোগ জমা দিতে হবে ডিরেক্টরেট অফ ভিজিল্যান্স অ্যান্ড অ্যান্টি-করাপশন বা DVAC-এ। পাশাপাশি দুর্নীতির অভিযোগ জানানোর জন্য চালু করা হয়েছে বিশেষ টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বরও। সরকারের দাবি, এতে সাধারণ মানুষ আরও সহজে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, অভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। অর্থাৎ কোনও হুইসলব্লোয়ার বা তথ্যদাতার নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেই বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, ঘুষ নেওয়া বা দাবি করার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।
সিস্টেমকে ঝাঁকুনি দেওয়ার চেষ্টায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয়
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম প্রথম বড় উদ্যোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে এই সিদ্ধান্তকে। প্রশাসনের একাংশের মতে, এই প্রকল্প চালু হলে সরকারি দফতরে ঘুষ চাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমবে। কারণ, এখন থেকে যে কোনও মুহূর্তে কোনও কর্মচারী 'হাতেনাতে' ধরা পড়তে পারেন। রাজ্যজুড়ে এই ঘোষণা ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাহসী ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মনে করছেন। সরকারের আশা, সাধারণ মানুষকে সরাসরি যুক্ত করতে পারলে প্রশাসনিক দুর্নীতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।


